মুকুল রায়ের মৃত্যু সংবাদে শোকস্তব্ধ প্রতিবেশীরা

Must Read

নদিয়া: প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের (Mukul Roy) মৃত্যুসংবাদ পৌঁছতেই শোকের ছায়া নেমে এল নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের (Krishnagunge) সীমান্তবর্তী ঐতিহ্যবাহী গ্রাম ভাজনঘাটে। ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত (India-Pakistan Border) লাগোয়া এই ইতিহাসপ্রসিদ্ধ গ্রামেই রয়েছে মুকুল রায়ের পৈত্রিক ভিটে। গ্রামের মানুষের কাছে তিনি শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, ঘরের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুকুল রায়ের বাবা যুগল রায় ছিলেন ভাজনঘাটের স্থায়ী বাসিন্দা। এখান থেকেই পড়াশোনা করে পরে রেলে চাকরি পান তিনি। সেই সূত্রেই পরিবারের শিকড় গেড়ে থাকে এই গ্রামে। ব্যস্ত রাজনৈতিক জীবনের মাঝেও মুকুল রায় সময় পেলেই পৈত্রিক বাড়িতে আসতেন। বিশেষ করে আম-জামের মরশুমে তাঁকে প্রায়ই দেখা যেত গ্রামে। আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে সময় কাটাতেন তিনি।

আরও পড়ুন: মায়াপুরে দোল উৎসবের সূচনা, শ্রীচৈতন্যের ৫৪০তম আবির্ভাব ঘিরে ৩৫ দিনের মহোৎসব

আজও সেই পৈত্রিক বাড়ি অক্ষত রয়েছে। প্রতিবেশীরাই বাড়িটির দেখাশোনা করেন। সকাল-সন্ধ্যায় ধূপ-ধুনো জ্বালানো হয় সেখানে। মুকুল রায়ের মৃত্যুসংবাদ ছড়াতেই গ্রামে নেমে আসে গভীর শোক। পরিবারের ঘনিষ্ঠ শংকর ভট্টাচার্য তাঁর স্মৃতিচারণ করে বলেন, “মুকুলবাবু বড় মনের মানুষ ছিলেন, গ্রামের প্রতি টান তিনি কখনও ভোলেননি।” বাড়িটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা সদানন্দ হালদারও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি বাড়ির বিভিন্ন অংশ দেখিয়ে জানান, “এ বাড়ির সঙ্গে ওঁর অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে।” রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ভাজনঘাট আজ স্মরণ করছে তাদেরই এক সন্তানকে।

Latest News

মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার পার্ক করা, মাঠে ঢুকতেই পারছেন না অ্যাথলিটরা  

ওয়েব ডেস্ক: গুরগ্রামের তাউ দেবী লাল স্টেডিয়ামে অনুশীলন করতে পারছেন না অ্যাথলিটরা। কারণ কী? হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী ওই স্টেডিয়ামকে নিজস্ব...

More Articles Like This