প্রি–সিডিং নিয়েই ঝড়! টি–২০ বিশ্বকাপে প্রশ্নের মুখে ICC

0
85

ওয়েব ডেস্ক : টি২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) সুপার এইট (Super 8) পর্বের ফরম্যাটকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ‘প্রি–সিডিং’ (Pre-seeding) পদ্ধতিতে দল বণ্টনের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়েমক সংস্থা বা আইসিসি (ICC)। ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশের অভিযোগ, এই ব্যবস্থার ফলে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে।

সুপার ৮–এ (Super 8) ওঠা আটটি দল চূড়ান্ত হওয়ার পরই স্পষ্ট হয় সমস্যার জায়গা। প্রথম পর্বে গ্রুপ শীর্ষে থাকা চার দল— ভারত, জিম্বাবোয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে রাখা হয়েছে একই গ্রুপে। অন্যদিকে দ্বিতীয় গ্রুপে ঠাঁই পেয়েছে চারটি রানার্স আপ— পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। ফলে শুরু থেকেই দুই গ্রুপের শক্তির ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আরও খবর : শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালে ভারত! কাদের হারালে হাতে আসবে ট্রফি? দেখুন

সমালোচকদের মতে, এই বিন্যাস প্রতিযোগিতার স্বাভাবিক নিয়মের পরিপন্থী। সাধারণত গ্রুপে শীর্ষে থাকা দলকে পরের পর্বে তুলনামূলক সুবিধা দেওয়া হয়। কিন্তু এখানে উল্টো ছবি। চারটি শক্তিশালী দল একই গ্রুপে পড়ায় তাদের মধ্যে অন্তত দু’টি দল সেমিফাইনালের আগেই ছিটকে যাবে। ফলে রানার্স হয়ে ওঠা দলগুলি তুলনামূলক সহজ পথ পেয়ে শেষ চারে পৌঁছনোর সুযোগ পাবে বলেই মনে করছে অনেকে। দক্ষিণ আফ্রিকার উদাহরণ টেনে বলা হচ্ছে, তারা নিজেদের গ্রুপে প্রথম হলেও প্রি–সিডিংয়ের (Pre-seeding) কারণে কঠিন গ্রুপে পড়েছে তারা।

আরও একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে সহ–আয়োজক শ্রীলঙ্কাকে ঘিরে। সূচি অনুযায়ী তারা সেমিফাইনালে উঠলে, ভারতে গিয়ে খেলতে হবে তাদেরকে। ফলে ঘরের মাঠে পুরো টুর্নামেন্ট খেলার পর শেষ চারে নিজেদের দর্শকদের সামনে নামার সুযোগ নাও পেতে পারে দ্বীপরাষ্ট্রটি। যদিও আইসিসি’র (ICC) দাবি, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের কারণে আগাম ভেন্যু ও সূচি পরিকল্পনা করতেই ‘প্রি–সিডিং’ পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে তাতে বিতর্ক যে থামছে না, তা স্পষ্ট।

দেখুন অন্য খবর :

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here