দুপুর পর্যন্ত দরজা খোলেনি, পরে ভেঙে ঘরে ঢুকতেই মিলল দম্পতির ঝুলন্ত দেহ

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : সকাল পেরিয়ে দুপুর। অনেক ডাকাডাকি করেও ঘরের ভিতর থেকে কোনও সাড়া মিলছিল না। ফোন করেও যোগাযোগ করা যায়নি। শেষ পর্যন্ত সন্দেহ হওয়ায় দরজা ভাঙতেই দেখা গেল ভয়াবহ দৃশ্য। ঘরের ভিতরে ঝুলছে স্বামী-স্ত্রীর দেহ। শনিবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর (Dattapukur) থানার নিবাদুই চড়কপাড়া এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতেরা হলেন প্রসেন দাস এবং গীতশ্রী পাল দাস। তাঁদের বয়স যথাক্রমে ২৭ ও ২৩ বছর। প্রায় দেড় বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন তাঁরা। দত্তপুকুরেই সংসার করছিলেন দু’জনে। প্রসেন গাড়িচালকের কাজ করতেন। গীতশ্রীর বাপের বাড়ি হুগলির উত্তরপাড়া এলাকায়।

আরও খবর :  রাজ্য পুলিশে ফের বড় রদবদল, সরানো হল ২৩ জন আধিকারিককে

পরিবারের সদস্যদের দাবি, দম্পতির মধ্যে কোনও বড় ধরনের দাম্পত্য অশান্তি ছিল না। বিয়ের শুরুতে পরিবারের তরফে কিছুটা আপত্তি থাকলেও পরে গীতশ্রীকে মেনে নেওয়া হয়। ফলে কী কারণে দু’জন এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

শনিবার বেলা বাড়লেও ঘরের দরজা না খোলায় প্রথমে পরিবারের লোকজন এবং প্রতিবেশীরা ডাকাডাকি করেন। কিন্তু ভিতর থেকে কোনও সাড়া না পাওয়ায় ফোনেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তাতেও কোনও ফল না মেলায় শেষ পর্যন্ত দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকা হয়। তখনই দু’জনের ঝুলন্ত দেহ নজরে আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দত্তপুকুর থানার পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান আত্মহত্যা হলেও এর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এদিকে গীতশ্রীর বাপের বাড়ির তরফে পারিবারিক অশান্তি এবং দম্পতির উপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ তোলা হয়েছে।

অন্যদিকে গীতশ্রীর বাপের বাড়ির তরফে শ্বশুরবাড়িতে পারিবারিক অশান্তি এবং দম্পতির উপর চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের অগ্রগতির পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

Latest News

এসআইআর নিয়ে ফের জ্ঞানেশকে নিশানা মমতার, ‘ভ্যানিশ কুমার মাস্ট গো’

ওয়েব ডেস্ক : এসআইআর (SIR) নিয়ে ফের নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বিরুদ্ধে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata Banerjee)। শনিবার...

More Articles Like This