ওয়েব ডেস্ক: তিরুপতি লাড্ডু প্রসাদ তৈরির কাজে ব্যবহৃত ঘিয়ে ভেজালের অভিযোগ-সংক্রান্ত অর্থ পাচারের মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সুকৃতী ফুডস-এর প্রোমোটার কৈলাস চাঁদ মাংলাকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তে দেখা গেছে, তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম (টিটিডি)-কে ‘আগমার্ক স্পেশাল গ্রেড গাওয়া ঘি’ হিসেবে যে ঘি সরবরাহ করা হয়েছিল, তা মূলত রিফাইন্ড পাম অয়েল, পাম কার্নেল অয়েল, পামোলিন এবং বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, টিটিডি-র ঘি-তে ভেজাল মেশানোর ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৭ সেপ্টেম্বর হায়দরাবাদের অফিস থেকে মাংলাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ইডি-র তথ্য অনুযায়ী, পরে তাঁকে বিশাখাপত্তনমের অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের (PMLA) বিশেষ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
আরও পড়ুন: সেনাদের জন্য কেন্দ্রের বড় উপহার, আজীবন ফ্রি ট্রেনযাত্রার সুবিধা
ইডি-র দাবি, তিরুপতি লাড্ডু প্রসাদে ব্যবহারের জন্য যে ভেজাল ঘি সরবরাহ করা হয়েছিল, তা রিফাইন্ড পাম অয়েল, পাম কার্নেল অয়েল, পামোলিন এবং MG-90, মোনোগ্লিসারাইডস, মাইভাসেট সফট ৪০০ (Myvacet Soft 400) ও অ্যাসিটিক অ্যাসিড এস্টারের মতো রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। অভিযোগ, এরপর এই মিশ্রণটিকেই ‘আগমার্ক স্পেশাল গ্রেড গাওয়া ঘি’ হিসেবে টিটিডি-র কাছে সরবরাহ করা হয়েছিল।
ইডি দাবি করেছে যে, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে টিটিডি-র কাছে যে ঘি সরবরাহের ক্ষেত্রে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে, তার মূল্য ছিল ২৩০ কোটি টাকা এবং মাংলা ৯৬ কোটি টাকা মূল্যের ভেজাল ঘি প্রস্তুত করেছিলেন। সংস্থাটি জানিয়েছে, মাংলা এই মামলার অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী। তিনি ভেজাল মেশানোর উপাদান সংগ্রহের ব্যবস্থা করেছিলেন এবং নিজের কারখানায় ভেজাল ঘি তৈরি করেছিলেন।
