ওয়েব ডেস্ক : নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সিদ্ধান্তে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক ফ্রিজ হয়ে যাওয়ার পর নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বাংলার রাজনীতিতে। এতদিনের পরিচিত নাম ও প্রতীক ছেড়ে এবার বিকল্প ব্যবস্থার দিকে এগোতে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) শিবিরকে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে সম্ভাব্য তিনটি নাম এবং তিনটি প্রতীকের তালিকা পাঠিয়েছে কালীঘাট শিবির।
কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে অবশ্য শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। দলের নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যেই জানিয়েছিলেন, কমিশনের এই সিদ্ধান্ত তাঁরা মেনে নিচ্ছেন না। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কমিশনকে চিঠি দিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বিকল্প নাম ও প্রতীকের প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে। কালীঘাটের অন্দরের খবর, নতুন দলের নামের ক্ষেত্রে ‘ম’ অক্ষর রাখার চেষ্টা করছে।
আরও খবর : বৃষ্টি মাথায় নিয়েই বাজা কদমতলা ঘাটে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, মোদির জন্মদিন ঘিরে কলকাতায় বিশেষ আয়োজন
অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) শিবিরও বিকল্প নাম ও প্রতীক জমা দিয়েছে বলে খবর। সম্ভাব্য নাম হিসেবে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস’-এর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রতীক হিসেবে খাম, ব্ল্যাকবোর্ড এবং টর্চ চাওয়া হয়েছে বলেও খবর। এখন নাম ও প্রতীক সংক্রান্ত আবেদন খতিয়ে দেখে কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর থেকে জোড়াফুলই ছিল দলের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক পরিচয়। দীর্ঘ ২৮ বছর পর সেই প্রতীককে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন পরিস্থিতি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির শেষ পর্যন্ত কোন নাম এবং প্রতীক বেছে নেয়, এখন সেটিই বড় প্রশ্ন।
