কলকাতা: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের আগে ফের তৃণমূলকে নিশানা করলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সোমবার নিউটাউনের ইকোপার্কে একাধিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি। উপনির্বাচনে প্রতীক নিয়ে তৃণমূলের (Tmc) অন্দরের টানাপোড়েন প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, আদালত বা নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মেনে চলতে হবে।
তৃণমূলের প্রার্থী নির্বাচন নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি দিলীপ। তাঁর দাবি, বিজেপি সংগঠিত দল হওয়ায় উপনির্বাচনের প্রার্থী ঠিক করতেও পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠক প্রয়োজন। অন্যদিকে, তৃণমূলের ক্ষেত্রে তেমন সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন নেই বলে কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর মন্তব্য, “বাড়ির চাকর-বাকরকেও ক্যান্ডিডেট করে দিলেও চলে।” একই সঙ্গে নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপি জিতবে বলেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।
আরএসপি বামফ্রন্টের বাইরে আলাদা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও দিলীপের মন্তব্য, প্রত্যেক দলই নিজেদের নাম সামনে আনতে চায়, তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
রাস্তা, অ্যাভিনিউ ও সেতুর নাম পরিবর্তন নিয়ে তৈরি কমিটি প্রসঙ্গে তথাগত রায়ের প্রস্তাবকেও সমর্থন করেন দিলীপ। তাঁর বক্তব্য, কলকাতায় এখনও ব্রিটিশ শাসক এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠদের নামে বহু রাস্তা রয়েছে। সেই নামগুলি বদলের বিষয়ে বিভিন্ন বিশিষ্ট মানুষের কাছ থেকে প্রস্তাব আসতেই পারে।
সালারে পুলিশের উপর হামলার প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদকে ‘উপদ্রুত জেলা’ বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না।
কলকাতায় গণেশপুজোর বাড়বাড়ন্ত নিয়েও মন্তব্য করেন দিলীপ। তাঁর দাবি, শহরের অলিগলিতেও গণেশপুজো ছড়িয়ে পড়ছে। তাঁর মতে, গণেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।
জুনপুটে প্রতিরক্ষা-পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে ধন্যবাদ জানান তিনি। পাশাপাশি ভুয়ো ডাক্তার, ভুয়ো আইপিএস এবং ভুয়ো নেতার মতো আরও ঘটনা সামনে আসবে বলেও দাবি করেন।
বাস পার্কিং নিয়ে তাঁর বক্তব্য, বাস কোথায় থাকবে তা নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিতেই পারে এবং পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট ভাড়া নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
