ওয়েব ডেস্ক : রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর এটাই প্রথম দুর্গাপুজো (Durga Puja)। ফলে এবারের পুজোকে বিশেষভাবে তুলে ধরতে একাধিক কর্মসূচি নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। মহালয়া থেকেই উৎসবের আবহ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে পুজোর সরকারি অনুদানকে ঘিরে। কোন কোন পুজো কমিটি এবার আর্থিক সাহায্য পাবে এবং অনুদানের পরিমাণ কত হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন উদ্যোক্তারা। সোমবারের বৈঠকে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
বিগত তৃণমূল আমলে রাজ্যে পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদানের পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছিল। দমকল-সহ বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার ক্ষেত্রেও একাধিক ফি মকুবের ব্যবস্থা ছিল। আগের সরকারের শেষ পর্যায়ে অনুদানের পরিমাণ বেড়ে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা হয়েছিল । এবার সেই অঙ্কে কোনও পরিবর্তন হবে কি না, নাকি নতুন কোনও নিয়ম চালু হবে, তা নিয়েও চলছে জল্পনা। রথযাত্রার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার পর দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রেও সরকারের সিদ্ধান্ত কী হয়, সেদিকে নজর রয়েছে পুজো কমিটিগুলির।
আরও খবর : গোলপার্ক থেকে যাদবপুর, ‘গৈরিক’ সম্মানে পথে নামছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
পুজোর আয়োজনের পাশাপাশি প্রতিমা, পুজোর রীতি, ভোগ বিতরণ এবং কার্নিভ্যাল নিয়েও সরকারের ভাবনা রয়েছে। এসব বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও বিতর্কের মধ্যেই সোমবারের বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেখানেই আসন্ন উৎসব নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া একই দিনে নবান্ন সভাঘর থেকে বর্ধিত হারে বার্ধক্য, বিধবা ও দিব্যাঙ্গ ভাতা দেওয়ার কর্মসূচিরও সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।
