33 C
Kolkata

অমরনাথ যাত্রায় বজ্র আঁটুনি! ভূস্বর্গে নজিরবিহীন নিরাপত্তা! কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্র?

Must Read

ওয়েব ডেস্ক: আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। আগামী ৩ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত অমরনাথ যাত্রা (Amarnath Yatra)। আর সেই তীর্থযাত্রাকে ঘিরে এবার নজিরবিহীন নিরাপত্তা (Security) ব্যবস্থা গ্রহণ করছে কেন্দ্রীয় সরকার (Government of India)। সূত্রের খবর, যাত্রাপথে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ৬৭০ কোম্পানিরও বেশি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। অমরনাথ যাত্রার ইতিহাসে এত বিপুল সংখ্যক আধাসেনা আগে কখনও মোতায়েন করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (Home Ministry of India) নির্দেশে আগামীকাল থেকেই বাহিনী মোতায়েনের কাজ শুরু হবে। শুধু নিরাপত্তা নয়, তীর্থযাত্রীদের যাত্রাপথে বিভিন্ন পরিষেবা ও ব্যবস্থাপনা যাতে নির্বিঘ্নে পরিচালিত হয়, সেই বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বাহিনীগুলি। শ্রী অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর অমরনাথ যাত্রা চলবে টানা ৫৭ দিন। ৩ জুলাই শুরু হয়ে আগামী ২৮ অগাস্ট রাখি পূর্ণিমার দিন এই পবিত্র যাত্রার সমাপ্তি ঘটবে।

আরও পড়ুন: ফিরল ভোপালের ভয়ঙ্কর স্মৃতি! এবার তামিলনাড়ুতে গ্যাস দুর্ঘটনার বলি ৭

প্রতি বছরের মতো এবারও দুটি প্রধান পথ দিয়ে পুণ্যার্থীরা অমরনাথ গুহামন্দিরে পৌঁছতে পারবেন। একটি পথ দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার পাহেলগাম রুট, যেখানে প্রায় ৪৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। অন্যটি গান্দেরবাল জেলার বালতাল রুট, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৪ কিলোমিটার। দুই পথের প্রবেশদ্বার, বেস ক্যাম্প, বিশ্রামস্থল থেকে শুরু করে তুষারলিঙ্গ অবস্থিত গুহা পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। প্রশাসনের লক্ষ্য, প্রথম তীর্থযাত্রী পৌঁছনোর আগেই গোটা নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে ফেলা। সেই কারণে অগ্রিম মোতায়েনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

যাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনার আগে আগামী ২৯ জুন জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমার তিথিতে পালিত হবে ঐতিহ্যবাহী ‘প্রথম পুজো’। ভগবান শিবের আরাধনার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এ বছরের অমরনাথ যাত্রার আধ্যাত্মিক পর্ব। ইতিমধ্যেই উপত্যকাজুড়ে শুরু হয়েছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের কাজ।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, যাত্রাকালীন মোট নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন প্রায় এক লক্ষ নিরাপত্তাকর্মী। কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং ভারতীয় সেনাও নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ থাকবে। বিশেষ করে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চল এবং দুর্গম এলাকায় সেনা মোতায়েন করা হবে সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ ও জঙ্গি কার্যকলাপের উপর নজরদারি চালানোর জন্য।

তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রাপথে ইতিমধ্যেই একাধিক লঙ্গরখানা, চিকিৎসা শিবির এবং অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা, উদ্ধারকারী দল এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

দেখুন আরও খবর:

Latest News

তৃণমূল জমানায় ছাড় পাওয়া সব নির্মাণ কাজ আপাতত বন্ধ, সব খতিয়ে দেখবে রাজ্য

কলকাতা: কলকাতায় তৃণমূল জমানায় ছাড় পাওয়া সব নির্মাণ খতিয়ে দেখবে রাজ্য, কাজ বন্ধ ৩১ জুলাই পর্যন্ত। বুধবার তারাতলার দুর্ঘটনাস্থলে...

More Articles Like This