কলকাতা: শনিবার কালিঘাটে তৃণমূলের জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়লেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পরেই তীব্র বাদানুবাদে জড়ালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ। শনিবার যার জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কালীঘাট। শেষে বাদানুবাদ থামাতে আসরে নামতে হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়কে(Kalyan Banerjee)।
শনিবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্ম সমিতির বৈঠকের ডেকে ছিলেন। সাংগঠনিক রদবদল নিয়ে একটি বিষয়ে দল অবিলম্বে পদক্ষেপ করুক, কুণাল এমন দাবি করতেই অভিষেক একটি বিলম্বিত ফর্মুলা দিয়ে বলেন, ‘পরে দেখে নেওয়া হবে’। এতেই কুণাল অভিষেকের উদ্দেশে বলে ওঠেন ‘লেবু কচলে তেতো করবেন না’। কুণাল বলেন, যাঁরা এই দুর্দিনে মাটি আঁকড়ে পড়ে আছে, তাঁদের পদ ইত্যাদি দিয়ে সাহস ও বল দেওয়া দরকার বলে মনে হয়। যা শুনে অভিষেক বলেন, হ্যাঁ ঠিক আছে, ওটা পরে দেখছি। ব্যস। সূত্রপাত এখানেই। কুণাল সঙ্গে সঙ্গে বলেন, আর পরে পরে কোরো না। লেবু কচলে আর তেতো কোরো না। দলটা তো এভাবেই উঠে গেছে।তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এসে ‘বাবু কুল’ (cool), ‘কুণাল কুল’ বলে পরিস্থিতি ঠান্ডা করেন।
সূত্রের খবর, বৈঠক শেষ হতেই কুণালের সামনে দাঁড়িয়ে অভিষেক বলেন, এই শোনো! তুমি কি আমার সঙ্গে ঝগড়া করবে বলেই এসেছিলে? না পোষালে আমাকে তাড়িয়ে দাও।কুণালকে অভিষেক বলেন, ‘তুমি সুমিত রায়ের সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে বিরূপ বিবৃতি দিয়েছ, আমাকে নিয়েও বলেছ’। সুমিত অভিষেকের সচিব। কুণাল বলেন, ‘একশোবার দিয়েছি। সুমিত দলের কেউ নন। তাঁকে ডিফেন্ড করতে পারব না। কিন্তু তোমাকে নিয়ে কিছু বলিনি’। তখনই কথা কাটাকাটি ওঠে চরমে। এহেন পরিস্থিতিতে আসরে নামেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দু’জনকে শান্ত করে বলেন, ‘এখন মাথা ঠান্ডা করে কাজ করতে হবে’। শেষে দুজনকে সামলান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
