30.3 C
Kolkata

‘কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে, আমাকে নিয়ে কথা বলার’, মুখ খুললেন অভিষেক

Must Read

কলকাতা: CID-কে আড়াই ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে বাড়িতে এলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত থাকার কথা বলে দু’ঘন্টা অপেক্ষা করালেন সিআইডি অফিসারদের। নিজের কালীঘাটের বাড়ি থেকে সামান্য দূরত্বে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। তাই অফিসারদের থেকে নোটিস গ্রহণ করার সময় পেলেন না গত দু ঘণ্টায়। আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বললেন, বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে ফিরেই ভবানীভবনে সিআইডি-র অফিসে গিয়েছিলাম, সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সহযোগিতা করেছি। সশরীরে হাজিরা দিতে বলেছিলেন। ১৪ তারিখ আবার যাব। আমি পালিয়ে যাইনি। আমি সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছি। শেষমেশ নোটিস দেওয়া হল তাঁর অফিসের এক কর্মীকেই। ১৬ জুন তাঁকে এই মামলায় হাজিরা দিতে হবে সিআইডি দফতরে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন কালীঘাটের বাড়ির সামনে থেকে করা সাংবাদিক সম্মেলনে তার উত্তর দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলের ‘আদি বনাম নবীন’ দ্বন্দ্ব তুঙ্গে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Kalyan Banerjee) বলতে শোনা গিয়েছিল হাইকোর্টে অভিষেকের মামলা লড়বেন না। দল ছাড়ার হুমকি, ‘আমায় বাছুন নয় অভিষেককে’ বলে দলনেত্রীকে আলটিমেটাম দিয়েছিলেন। কল্যাণের তোপের মুখে পড়েও সৌজন্যের নজিরগড়লেন অভিষেক। এই যুদ্ধ নিয়ে চরম জল্পনা ঠিক তখনই অত্যন্ত পরিণত ভঙ্গিতে সেই আগুনে জল ঢাললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুক্রবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে বৈঠক শেষে বেরোনোর সময় কল্যাণ প্রসঙ্গে মুখ খোলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। প্রবীণ সাংসদের প্রতি একরাশ সৌজন্য ও শ্রদ্ধা উগরে দিয়ে বিতর্ক থামানোর চেষ্টা করলেন তিনি।সাংসদ বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় ছোট থেকে বড় করেছেন। উনি দলের প্রবীণ নেতা। আমার প্রতি ওঁর অধিকার আছে আমায় দুটো কটূ কথা বলার। ওঁর একটা ঘটনা খারাপ লাগতে পারে তাই হয়তো বলেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি তাঁকে সম্মান করতাম, আগামী দিনেও করব।’এটা নিয়ে জলঘোলা করার কিছু নেই।”

আরও পড়ুন: বুকিংয়ে বড় বদল! IRCTC-র নতুন ওয়েবসাইট ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

Latest News

বাংলাদেশের গণতন্ত্রের উত্তরণে শেখ হাসিনাই অপরিহার্য

১১ জুন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন। আমরা যারা ওয়ান-ইলেভেনের অন্ধকার সময় প্রত্যক্ষ করেছি, রাজপথে আন্দোলন করেছি,...

More Articles Like This