কলকাতা: বিদ্রোহ ঘোষণা করে এনডিএর পথে তৃণমূলের একঝাঁক বিধায়ক ও সাংসদরা। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সুখেন্দু শেখর রায়, শর্মিলা সরকার, শতাব্দী রায়, অসিত মালের মতো সাংসদরা দিল্লিতে ভুপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। বিদ্রোহী সাংসদদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন ভূপেন্দ্র যাদব, নিশিকান্ত দুবের মতো বিজেপি সাংসদরা।শতাব্দীর বাড়িতে চা-চক্রে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারীও। তৃণমূলের ভাঙন ধরানো সাংসদ ও বিধায়কদের কড়া ভাষায় বিধঁলেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। ক্ষমতা থাকলে বিদ্রোহী সাংসদদের পদ ছেড়ে ফের ভোটে জিতে আসার চ্যালেঞ্জ জানান তিনি।
ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পরই তৃণমূলে ভাঙন শুরু হয়। বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধ গোষ্ঠী তৈরি করেন।বিদ্রোহী সাংসদদের আক্রমণ করলেন মহুয়া মৈত্র। কৃষ্ণনগরের সাংসদ তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘২০২৪ সালে সাংসদরা তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতেছিলেন। এনডিএ কোনও জনাদেশ পায়নি। যারা লোভী, স্বার্থপর ও বিশ্বাসঘাতক, তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিন। আগে সাংসদ পদ ছেড়ে বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়ুন। দেখা যাক, কতটা জনপ্রিয়তা রয়েছে।’ এই পোস্টে অবশ্য নির্দিষ্ট কোনও সাংসদের নাম উল্লেখ করেননি। কিন্তু ইউসুফকে নিশানা করে আলাদা পোস্ট করেছেন মহুয়া। ইউসুফ পাঠানকে (Yusuf Pathan) হ্যান্ডেলে তুলোধোনা করলেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদের তোপ, ভারতের জার্সিতে খেলেও এতটুকু সাহস নেই? লজ্জা হওয়া উচিত। ‘বিদ্রোহী’ অন্যান্য সাংসদদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন মহুয়া।
