ওয়েব ডেস্ক: রবিবার গভীর রাতে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় ভূমিকম্পের (Earthquake) কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভুটান (Bhutan)। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.৭।
কম্পন অনুভূত হয়েছে কলকাতার পাশাপাশি শিলিগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তরবঙ্গের আরও কয়েকটি এলাকায়। আচমকা কম্পনে অনেকেই বাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন। শহর ও শহরতলির বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে বলে জানা গিয়েছে।
ভূমিকম্পের প্রভাব শুধু ভুটানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। হিমালয় সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। কম্পনের জেরে বেশ কয়েকটি এলাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাসিন্দাদের বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। তখন ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের খুলনা সংলগ্ন এলাকা। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (EMSC)-এর তথ্য অনুযায়ী, সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল প্রায় ৫.৫।
এছাড়া এপ্রিল মাসে মণিপুরের মইরাং এলাকাতেও ৪.৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। উত্তর-পূর্ব ভারত ও হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ায় মাঝেমধ্যেই এই ধরনের কম্পনের ঘটনা সামনে আসে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর না মিললেও ভূমিকম্পের পর আফটারশকের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই অপ্রয়োজনে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
