কলকাতা: রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই খুলছে আরজিকর মামলার (RG Kar Case) ফাইল। সাসপেন্ড করা হয়েছে তিন IPS অফিসারকেও। শনিবার আচকমাই আরজিকর হাসপাতালে (RG Kar Case) প্রবেশ করেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (BJP MP Abhijit Gangopadhyay)। এমার্জেন্সি বিল্ডিং এর ৮ তলায় ওটি কমপ্লেক্স ভেতরে একটা রুম আছে। ওই ঘরের দেওয়ালে রক্তের দাগ রয়েছে বলে দাবি করলেন তিনি। আরজিকর কাণ্ডে চার-পাঁচ দিন পর থেকে বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। হাসপাতালে সূত্রে খবর সেই ঘরে রক্তের দাগ, ব্লেড, ব্যবহৃত গ্লাভস পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। যেটা অস্বাভাবিক বলে মনে ওই ঘরের জন্য কারণ সেটা অর্থপেডিক ইন্সট্রুমেন্ট রুম। এবং ঘটনা ক্রমে ডাক্তার সন্দীপ ঘোষ অর্থোপেডিকের ডাক্তার।
সিবিআই ফরেন্সিক পরীক্ষা করেনি বলে অভিযোগ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। পরিবার ডাক্তার এবং হাসপাতালের কর্মীদের দাবি ছিল ওই ঘরের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হোক। সিবিআই আধিকারিক সীমা পাউজার দিকে আঙ্গুল তুলেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আট তলা থেকে জেনারেল এমার্জেন্সিতে যে এই সিডিটা নামছে হাসপাতালে পেছনের দিক থেকে সেই সিঁড়ির ফরেনসিক টেস্ট বা তদন্তের করা উচিত ছিল বলে মনে করেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই ঘরের আট তলার ওই ঘরের তদন্ত করা হোক বলে দাবি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। এবং সীমা পাউজারকে অভিযুক্ত হিসেবে তদন্তের আওতায় আনা হোক বলে দাবি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের।
আরও পড়ুন: পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ড ভেঙে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, নতুন বোর্ড কবে তৈরি হবে?
এদিন আরজিকর মেডিক্যালের এমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ে যান অভিজিৎ। ওই এমার্জেন্সি বিল্ডিংয়েই তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর কথায়, “আমি গিয়েছিলাম কারণ জানতে পেরেছি, তদন্তে সিবিআই-এর যিনি কর্তা ছিলেন, সীমা পাহুজা, তিনি দু’টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেননি। একটা ঘর যেটা প্রায় দু’বছরের কাছাকাছি বন্ধ হয়ে আছে, যেখান থেকে ইনক্রিমিনেটিং জিনিস পাওয়া যেতে পারে, সেটা তিনি খোলেনি, কেউ খোলেননি। আমি নিজে গিয়ে দেখে এলাম এখনও তালাবন্ধ এবং সিল করা। সত্যিই এমন কোনও ঘর আছে কি না, দেখতে এসেছিলাম।”
