ওয়েব ডেস্ক: ভোট পরবর্তী অশান্তি (Post Poll Unrest) খতিয়ে দেখতে হুগলির পুরশুড়ায় এল তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমে (TMC Fact Finding Team) রয়েছেন সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল, রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম, প্রাক্তন মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা (Birbaha Hansda), তৃণমূল নেতা শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় (Sirsanya Bandopadhyay)। শনিবার প্রথমে তাঁরা পুরশুড়ার ডিহিবাতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বাড়িতে এসে দেখা করেন। অভিযোগ ভোটের ফলাফলের পর তৃণমূল প্রধানের বাড়িতে আক্রমণ করা হয়। বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। তৃণমূলের সদস্যরা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। যদিও পুরশুড়ার পর গোঘাট, আরামবাগ ও খানাকুলেও ঘুরবেন।
অন্যদিকে, ময়নায় তৃণমূলের তিনজনের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম, নির্বাচন পরবর্তী হিংসার তথ্য নথিভুক্ত করে জমা দেবেন তৃণমূল সুপ্রিমোকে জানালেন দোলা সেন। নির্বাচন পরবর্তী হিংসার তথ্য অনুসন্ধানকারী প্রতিনিধিঃ দল বা তৃণমূলের 3 জনের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম শনিবার পৌঁছল পূর্ব মেদিনীপুরে। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দোলা সেন (Dola Sen), মোহাম্মদ নাদিমুল হক, এবং সুশোভন রায়। প্রথমে টিম যায় ময়নায়।ময়নার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এই প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে দোলা সেন বলেন ৪ তারিখ এর পর থেকে তৃণমূলের কর্মী সাধারণ মানুষদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে, তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, পার্টি অফিস ভাঙচুর হচ্ছে। আমরা যা জেনে গেলাম, দিদিকে জানাবো! সেখান থেকে প্রশাসনকে জানানো হবে। সমস্ত তথ্য আদালত এ জানানো হবে। প্রত্যেক ব্লকে,প্রত্যেক বুথে কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছে। প্রত্যেক বুথ গণনা কেন্দ্রে ধরে ধরে যেখানে যেখানে ইভিএম টেম্পারিং হয়েছিল সেই তথ্য সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া হবে। ভিভি প্যাট গুনতে দেওয়া হয়নি,কর্মীদের মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে।সমস্ত তথ্য তারা নথিভুক্ত করেন।
আরও পড়ুন: ‘কেউ রেহাই পাবে না…’ বেআইনি মাদ্রাসা নির্মাণ নিয়ে সতর্ক বার্তা দিলেন ক্ষুদিরাম
