ওয়েব ডেস্ক : ২০১৬ সালে হাওড়ার (Howrah) মল্লিক ফটকের কাছে নিরাপত্তারক্ষী বিজয় মল্লিক খুনের ঘটনায় (Murder Case) ফের নতুন করে ন্যায়বিচারের দাবি তুলল মৃতের পরিবার। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার নতুন সরকারের কাছে সিবিআই (CBI) তদন্তের আবেদন জানাতে চলেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগের তির মূলত প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর (Former TMC Councilor) শৈলেশ রাইয়ের দিকে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানিয়েছেন, যেকোনও তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত তিনি।
২০১৬ সালের ১৭ জুন রাতে শান্তিনিকেতন অ্যাপার্টমেন্টের গেটের সামনে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন (Murder) করা হয় নিরাপত্তারক্ষী বিজয় মল্লিককে। ঘটনায় তদন্তে নামে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা। তদন্তের ভিত্তিতে হাওড়া পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন তৃণমূল কাউন্সিলর শৈলেশ রাই-সহ মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর ২০২০ সালের জুন মাসে হাওড়া আদালত শৈলেশ রাইকে বেকসুর খালাস করে দেয়। পরে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে পুনরায় আদালতের দ্বারস্থ হয় মৃতের পরিবার।
আরও খবর : শপথ নিয়েই প্রথম দুটি কাজ কী হবে? আগেই জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু
রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সাংবাদিক সম্মেলন করে বিজয় মল্লিকের মেয়ে মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছিল। তার অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজ, কল রেকর্ড-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পুলিশের (Police) হাতে থাকা সত্ত্বেও মূল অভিযুক্তরা ছাড় পেয়ে যান। এমনকি ভোটের আগে পরিবারকে ভয় দেখানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। মিতালীর অভিযোগ, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার বহু চেষ্টা করেও তিনি ব্যর্থ হন। নবান্নে চিঠি পাঠিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। তাই নতুন সরকারের কাছে তার আবেদন, এই মামলায় সিবিআই তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। তার প্রশ্ন, “যার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ, তিনি এখনও কীভাবে প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ান?”
অন্যদিকে, শৈলেশ রাই সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। এদিকে ঘটনার প্রায় এক বছর পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আদালত তাঁকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করেছিল। প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর বলেছেন, যেকোনও তদন্তের মুখোমুখি হতে আমি প্রস্তুত।”
দেখুন অন্য খবর :
