দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargana) ক্যানিংয়ে (Canning) ভোট-পরবর্তী অশান্তিতে ফের উত্তপ্ত নারায়ণপুর। ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার অন্তর্গত মাখালতলা এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রী রহিমা লস্কর ওরফে ‘বেবি’-র বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে দাবি, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরই দল বদলে বিজেপির পতাকা হাতে নেন বেবি। বুধবার সকাল থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত দখলের চেষ্টা থেকে শুরু করে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন: কালীঘাটে মমতার শক্তি-পরীক্ষা! ৬৯ বিধায়ক নিয়ে বৈঠক করলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তাঁদের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, এমনকি পুলিশকর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় চিরুনি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে রহিমা লস্কর ওরফে বেবিকেও।
উল্লেখ্য, এর আগের দিনই নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সালাউদ্দিন সরদারের অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছিল বিপুল পরিমাণ ধারালো অস্ত্র। দীর্ঘদিন ধরেই সালাউদ্দিনের সঙ্গে বেবির বিবাদ চলছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। রাজনৈতিক পালাবদলের পর সেই সংঘাতই বড় আকার নেয় বলে মনে করা হচ্ছে।
