ওয়েবডেস্ক- ফলতা (Falta Assembly) পুরো ভোট বাতিল নিয়ে পাল্টা হুঙ্কার দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) । দশ জন্মেও আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলকে দমাতে পারবে না। অভিষেকের হুঙ্কার ডায়মন্ড হারবার মডেলকে (Diamond Harbour Model) দমাতে পারবে না বাংলা বিরোধী এই গুজরাটি গ্যাং। দিল্লি থেকে যত শক্তিশালী, যাকে খুশি নিয়ে আসুন, ক্ষমতায় থাকলে ফলতায় লড়ে দেখাও’।
এক্স মাধ্যমে অভিষেক লিখেছেন, ‘তোমাদের বাংলা বিরোধী গুজরাটি গ্যাং আর তাদের হাতের পুতুল জ্ঞানেশ কুমারের পক্ষে আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলে সামান্য আঁচড় কাটার জন্য দশটা জন্মও যথেষ্ট হবে না।’ অভিষেক আরও লিখেছেন, ‘তোমাদের যা কিছু আছে, সব নিয়ে এসো। আমি সমগ্র ভারত ইউনিয়নকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি – ফলতায় এসো। তোমাদের সবচেয়ে শক্তিশালীকে পাঠাও, দিল্লি থেকে কোনও এক গডফাদারকে পাঠাও। যদি সাহস থাকে, ফলতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো।’
ভোটের আবহে বাতিল করা হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট। গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট হয়েছিল ফলতায়। কারচুপির অভিযোগে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে পুনির্নিবাচনের দাবি জানিয়েছিল বিজেপি।
শুক্রবার নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট বাতিল করা হল। ভোট হবে ২১ মে। রেজাল্ট ২৪ মে। শনিবার নির্দেশিকা দিয়ে এই কথা জানিয়ে দেয় কমিশন। সোমবার, ৪ মে ২৯৩ আসনে ভোট গণনা হবে। দ্বিতীয় দফার ভোটে ফলতায় ইভিএম-এ টেপ লাগিয়ে রাখার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলে বিজেপি। এর পরে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তের রিপোর্টে খতিয়ে দেখে, ফলতায় পুনরায় ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
তাদের তরফে জানানো হল, ফলতা বিধানসভার ২৮৫টি বুথের মধ্যে ৬৮টি বুথে ভোট চলাকালীন বেনিয়ম ধরা পড়েছে। যা মোট বুথের ২১ শতাংশ। যেখানে ফলতার ২৩ শতাংশ ভোটার ভোট দেন। কমিশন জানিয়েছে, ৭টি বুথে ভোটে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে অনেক বুথে একসঙ্গে অবাঞ্ছিত একাধিক মানুষকে একসঙ্গে ঢুকতে ও বেরতে দেখা গেছে। ফলে ১৩ ফুটেজ ব্যাপক গরমিল দেখা গেছে। এই প্রেক্ষাপটে গোটা ফলতায় ফের ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
