ওয়েবডেস্ক- দুদফায় ভোট ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission) । তার মধ্যে প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল ও দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। এর মধ্যে প্রথম দফা অভিযোগমুক্ত হলেও ২৯ এপ্রিল-এর ভোটে অভিযোগ জমা পড়ল কমিশনে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ফলতা (Falta Assembly) । ইভিএম- মেশিনে টেপ লাগানোর অভিযোগ ওঠে। এর পরেই বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে মাঠে নেমে সব কিছু সরেজমিনে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
এর পর গতকাল মগরাহাট ও ডায়মন্ডহারবার বিধানসভায় পুনর্নির্বাচন সম্পন্ন হয়। তখনও ফলতা নির্বাচন নিয়ে দোলাচলে কমিশন। এর পরে রাতে কমিশন সিদ্ধান্ত নিল ২১ মে গোটা ফলতায় পুনর্নির্বাচন (Repoll) হবে, আর রেজাল্ট বের হবে ২৪ মে। এদিকে আগামীকালই ভোটের রেজাল্ট। ফলে ২৯৩টি আসনে ভোট গণনার পরে ভোটের রেজাল্ট।
মুখ্য নির্বাচন জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশে ফলতা, মগরাহাট, ডায়মন্ড হারবারের মতো এলাকায় স্ক্রুটিনির প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠানোর পরে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মগরাহাট ও ডায়মন্ড মিলিয়ে মোট ১৫ টি বুথে নির্বাচন সম্পন্ন হয়, বাকি ছিল ফলতা। যেটি ২১ মে হবে। ফলতার ২৮৫ ভোটকেন্দ্রেই ওই দিন নির্বাচন হবে।
আরও পড়ুন- গণনার ময়দানে বিশেষ দায়িত্বে রাজীব কুমার, কড়া বার্তা মমতার
ফলতার তবে এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের কুণাল ঘোষ। কুণাল ঘোষ, সোশ্যাল মিডিয়ায় কমিশনকে নিশানা করে বলেন, আপনার সেন্ট্রাল বাহিনী ওই দিন কী করছিল? কুণালের প্রশ্ন আপনাদের বজ্র আঁটুনি, কী ফস্কা গেরো? আপনাদের ‘মুজরো সিংঘম’ কী করছিলেন? যার এত ডায়ালগ? তাঁকে আগে সাসপেন্ড করুন। আধা সেনা, সেন্ট্রাল ফোর্স, সাঁজোয়া গাড়ি, তারা গোটা ফলতাজুড়ে রিগিং ধরতে পারল না? অভিযোগ তুলে বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাজ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যখন ভোটের রেজাল্ট বের হবে, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২৩০ আসন নিয়ে সরকার গঠন করে ফেলেছে। আর ফলতায় তৃণমূলের প্রার্থীই জিতবেন।
কমিশনকে নিশানায় কুণাল আরও বলেন, যদি ফলতায় এত রিগিং হয়ে থাকে, তাহলে সেইদিনই আপনারা রিঅ্যাক্ট করলেন না কেন? আপনারদের তিনদিন পর ঘুম ভাঙল? রাজনৈতিক ছক কষে? ‘প্রহসনের সিদ্ধান্ত নিলেন জ্ঞানেশ কুমার অ্যান্ড কোম্পানি’।
