ওয়েবডেস্ক- বাংলায় দু দফায় ভোট সম্পন্ন। এবার সামনেই ভোট গণণা। আগামী ৪ মে গণনা (Vote Counting) হবে। এর পরেই সরকার গড়া ভাঙার খেলা, কে মসনদে বসবে সেইদিকেই তাকিয়ে আছে বঙ্গবাসী। কোথায়, কোথায় পুনর্নির্বাচন (Re Poll) তা হবে তা পর্যবেক্ষণ করে দেখবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত (Special Observer Subrata Gupta) । ভোটের পর দিনই মূলত স্ত্রুটিনির কাজ করা হয়ে থাকে। তবে এবার সেই কাজ ময়দানে নেমে করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar)।
বৃহস্পতিবার সকালে সুব্রত গুপ্তকে ফোন করেন তিনি। দ্বিতীয় দফার ভোটের নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। যে জায়গাগুলি থেকে অভিযোগ উঠে এসেছে, সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দিয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষককে জ্ঞানেশ কুমার।
প্রথমবার দফার ভোটে পুনর্নির্বাচনের দাবি না উঠলেও দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভোট শেষ হতেই ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি উঠেছে। এই বুথের সবগুলিই দক্ষিণ ২৪ পরগনার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে।
আরও পড়ুন- ভোট গণনার আগেই জোড়া মামলা হাইকোর্টে, কী দাবি? কবে শুনানি? দেখুন বড় খবর
কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে ৩২টি। ফলতা থেকে সবচেয়ে বেশি। তার পর রয়েছে ডায়মন্ডহারবার ২৯টি, মগরাহাট থেকে ১৩ ও বজবজ থেকে ৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে। কোথাও ইভিএমে টেপ লাগিয়ে দেওয়া, আতর লাগিয়ে দেওয়া, ক্যামেরায় রুমাল চাপা দেওয়ার অভিযোগ আসে। অপরদিকে ভোটের একদম শেষ পর্যায়ে ভোটারের জামার পকেটে স্পাই ক্যামেরা রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ জমা পড়ে।
ডায়মন্ডহারবারের মগরাহাট পশ্চিম থেকে এই অভিযোগ জমা পড়ে কমিশনে। ফলে যে সমস্ত জায়গাগুলি থেকে এই সমস্ত অভিযোগ আসছে, সেখানে আজই পরিদর্শনে যাবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।
থাকবেন পর্যবেক্ষকরাও। বুথে গিয়ে সেই সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। কটা নির্বাচনে পুনর্নির্বাচন হবে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল শুক্রবার পুনর্নির্বাচন হবে।
