ওয়েব ডেস্ক: রাজনীতির ময়দানে এক নাটকীয় পটপরিবর্তনের সাক্ষী থাকল দেশের রাজধানী। শুক্রবার বড়সড় ভাঙনের মুখে পড়ল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party)। একইসঙ্গে একাধিক শীর্ষ নেতা আপ শিবির ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে।
দিল্লির এই নাটকের কেন্দ্রে ছিলেন রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)। তাঁর দলত্যাগ অনেকটাই অনুমান করা হচ্ছিল, কিন্তু আপ শিবিরে আসল ধাক্কা আসে তাঁর সঙ্গীদের তালিকা দেখে। বিশেষ করে অশোক মিত্তলের (Ashok Mittal) দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত আপ শিবিরে চরম অস্বস্তি তৈরি করেছে। ২০২২ সাল থেকে রাজ্যসভার সাংসদ অশোক, কেজরিওয়ালের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন। এমনকি ২০২৪ সালে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেওয়ার পর কেজরিওয়াল সপরিবারে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় অশোকের সরকারি বাংলোয় ছিলেন।
ওয়েব ডেস্ক: জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সরব বিরোধীরা, ফের ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব বিরোধীদের
ঘটনাচক্রে, শুক্রবারই কেজরিওয়াল পরিবার সহ লোধি এস্টেটের নতুন সরকারি বাংলোয় ওঠেন। আর তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অশোক, রাঘবের পাশে বসে আপ ছাড়ার ঘোষণা করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা— কেজরিওয়াল কি আগেই এই ‘পালাবদল’-এর খবর পেয়েছিলেন? নাকি তাঁর অগোচরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে?
দলের অন্দরের অস্থিরতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন জানা যায়, কিছুদিন আগেই রাঘবের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে কেজরিওয়াল তাঁকে রাজ্যসভার ডেপুটি দলনেতার পদ থেকে সরিয়ে সেই দায়িত্ব দিয়েছিলেন অশোককেই। অথচ সেই অশোকই শেষমেশ দল ছাড়লেন।
তবে শুধু রাঘব বা অশোক নন, তাঁদের সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সন্দীপ পাঠক (Sandeep Pathak), স্বাতী মালিওয়াল (Swati Maliwal), প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার হরভজন সিং (Harbhajan Singh), রাজিন্দর গুপ্তা (Rajinder Gupta) এবং বিক্রম শানে (Vikram Sahney)। এর মধ্যে স্বাতী মালিওয়ালের সঙ্গে আপের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল আগেই, তবে বাকিদের দলত্যাগ কার্যত অপ্রত্যাশিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
দেখুন আরও খবর:
