কলকাতা: কলেজের প্রফেসরদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে ব্যবহার করার কমিশনের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) সিঙ্গেল বেঞ্চ। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এই নির্দেশ দেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে চ্যালেঞ্জ জানাল কমিশন। দ্রুত শুনানির আর্জিও জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামীকালই এই মামলার শুনানি হতে পারে।
কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেওয়ায় চাপে পড়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট নির্দেশে জানান, প্রফেসরদের এই দায়িত্বে নিয়োগের ক্ষেত্রে কমিশনের পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।
আরও পড়ুন: ভোটের মুখে গ্রেফতার হতে পারে ৮০০ তৃণমূল কর্মী! কমিশনে জমা পড়ল নাম!
এই রায়ের পরই দ্রুত পদক্ষেপ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় কমিশন। সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত শুনানির আবেদনও জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে।
সূত্রের খবর, বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আইনি লড়াই এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করল। সব পক্ষের নজর এখন ডিভিশন বেঞ্চের দিকে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামীকালই এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই শুনানিতে সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় বহাল থাকবে, নাকি কমিশনের সিদ্ধান্তে ছাড় মিলবে—তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক মহল এবং শিক্ষাঙ্গনেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় শিক্ষকদের ভূমিকা কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এখন দেখার, ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়।