ওয়েবডেস্ক- কিসের ভিত্তিতে অধ্যাপকদের (Professors) প্রিসাইডিং অফিসার (Presiding Officer) হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court)। বৃহস্পতিবার জানাতে না পারায় বিচারপতি কৃষ্ণা রাও মামলাটি আগামীকাল ফের শুনানির জন্য রেখেছেন।
আগামীকাল নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে ফের আদালত উপযুক্ত নথি তলব কলকাতা হাইকোর্টের। গত ১৩ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের কাছে সেই তথ্য চাইলে সময় চেয়েছিলেন কমিশনের আইনজীবী।
কমিশনের আইনজীবী, ২৩ টি জেলায় প্রয়োজনের ভিত্তিতেই অধ্যাপকদের নিযুক্ত করা হয়েছে। এর আগের নির্বাচনেও নিয়োগ করা হয়েছিল সেই নথিও এদিন দেখান আইনজীবী। শিক্ষকদের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, গ্রুপ-ডি কর্মচারীদের রিজার্ভ রেখে কলেজের অধ্যাপকদের এইভাবে নিযুক্ত করা যায় না।
আরও পড়ুন- ধর্মঘটে যোগ দেওয়া কর্মীচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না, নির্দেশ বিচারপতির
কলকাতা-সহ রাজ্যের সব জেলার সহকারি ও সহযোগী অধ্যাপকদের অনেককেই প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রিসাইডিং অফিসারকের কাজ করতে হয় বিডিও-দের অধীনে। ২০১০-এ নির্বাচন কমিশন নির্দেশিকায় জানিয়েছিল, গ্রুপ-এ বা সমতুল্য পদমর্যাদার আধিকারিক, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিশেষ ও অনিবার্য পরিস্থিতি এবং জেলা নির্বাচন আধিকারিকের লিখিত নির্দেশ ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। ফলে নির্বাচন কমিশন নিজেই নিজের জারি করা নির্দেশিকা ভেঙেছে বলে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ওয়েবকুটা। তারা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে। পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।
