ওয়েব ডেস্ক: ডিজিটাল বিলিং, সফটওয়্যার, অনলাইন হিসেব, সবই এখন দৈনন্দিন বাস্তবতা। তবুও বাঙালির নববর্ষ (Bengali New Year 2026) শুরু হয় না, যদি না লাল শালুতে মোড়া হালখাতায় পড়ে প্রথম টাকার ছাপ (Poila Baisakh 2026)। চৈত্র সংক্রান্তির পরের দিন, পয়লা বৈশাখ, নতুন বছরের প্রথম সকালেই দোকানে দোকানে শুরু হয় হালখাতা পুজো। নতুন খাতা, লক্ষ্মী-গণেশের আরাধনা, আর ক্রেতাদের মিষ্টিমুখ, সব মিলিয়ে এক আবেগঘন উৎসব। পুরনো দেনা-পাওনা মিটিয়ে নতুন করে সম্পর্ক গড়ার দিনও বটে এটি।
পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার মতো জায়গায় আজও এই ঐতিহ্য সমানভাবে জীবন্ত। যদিও দোকানে ডিজিটাল হিসেব এখন নিত্যদিনের বিষয়, তবুও নববর্ষের দিন এলেই বেরিয়ে আসে সেই চিরচেনা খাতা।
আরও পড়ুন: চিংড়িতে ভাইরাস! সংক্রমণে দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা?
স্থানীয় ব্যবসায়ী হরিপদ দাসের কথায়, “ডিজিটাল সিস্টেমে সব হিসেব রাখি ঠিকই, কিন্তু হালখাতা আমাদের সংস্কৃতি। নতুন খাতা কেনা আর পুজো এটা না করলে যেন বছরটাই শুরু হয় না।”
আধুনিকতার ঢেউ অনেক কিছু বদলেছে, কিন্তু মুছে দিতে পারেনি শিকড়ের টান। হালখাতা শুধু হিসেবের খাতা নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য, বিশ্বাস আর সম্পর্কের প্রতীক। তাই ডিজিটাল যুগেও, পয়লা বৈশাখ মানেই হালখাতার নতুন সূচনা।
