ইরান যুদ্ধের মাঝেই সেনা প্রধান সরালেন ট্রাম্প!

0
38

ওয়েব ডেস্ক: ইরানের (Iran) সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল মার্কিন প্রশাসন (United States)। সেনা সর্বাধিনায়ক (আর্মি চিফ অফ স্টাফ) র‌্যান্ডি জর্জকে আচমকাই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ তাঁকে সরে দাঁড়ানোর বার্তা দেন। পরে পেন্টাগনের তরফে জানানো হয়, জর্জ আমেরিকার ৪১তম সেনা প্রধান হিসাবে অবসর গ্রহণ করছেন (America-Iran Conflict)।

তবে কেন এই সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। কারণ, কোনও দেশের সঙ্গে সক্রিয় সামরিক সংঘাত চলাকালীন সেনা সর্বাধিনায়ককে সরিয়ে দেওয়ার নজির আমেরিকার ইতিহাসে কার্যত নেই। ফলে এই পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।

পেন্টাগনের বিবৃতিতে যদিও কোনও বিতর্কের ইঙ্গিত নেই। সেখানে শুধু জানানো হয়েছে, জর্জ দ্রুত অবসর নিচ্ছেন এবং তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। কিন্তু সূত্রের দাবি, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে নীতিগত মতপার্থক্য। জানা গিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা নীতির সঙ্গে জর্জের অবস্থান পুরোপুরি মেলেনি।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে নয়া মোড়! ইরানকে গোপন সামরিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করছে রাশিয়া!

উল্লেখ্য, সেনাপ্রধান হিসেবে এখনও প্রায় দেড় বছরের মেয়াদ বাকি ছিল জর্জের। মেয়াদ শেষ হওয়ার অনেক আগেই তাঁকে সরে যেতে বলা হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের অন্দরে। প্রতিরক্ষা কাঠামো ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিরক্ষাসচিব হওয়ার পর থেকেই একাধিক উচ্চপদস্থ সামরিক আধিকারিককে সরিয়েছেন পিট হেগসেথ। গত ফেব্রুয়ারিতে অ্যাডমিরাল লিসা ফ্র্যানসেট্টি এবং জেনারেল জিম সিলফেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। পাশাপাশি সেনার প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রধান জেনারেল ডেভিড হোডনে এবং চ্যাপলেন কোরের প্রধান মেজর জেনারেল উইলিয়াম গ্রিনকেও অপসারণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে র‌্যান্ডি জর্জের অপসারণ আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের আবহে মার্কিন সেনার শীর্ষস্তরে এই রদবদল ভবিষ্যতের সামরিক কৌশলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here