ওয়েব ডেস্ক : এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকায় বাদ গিয়েছে বহু ভোটারের নাম। বিবেচনাধীন তালিকাতেও সেই ধারা বজায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যাঁদের নাম বাদ যাচ্ছে তাঁদের কী হবে? এই প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে গত মার্চে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলায় শুনানির জন্য ট্রাইব্যুনাল (Tribunal) গঠন করার কথা বলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) তরফে। সেই মতো রাজ্যজুড়ে ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। তার পরেই ২০ মার্চ ট্রাইবুনালে আপিল করার জন্য দু’টি পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি হল অনলাইন, আর অন্যটি হল অফলাইন।
অনলাইনের ক্ষেত্রে ইসিআইনেট (ECINET) ব্যবহার করে এই আবেদন করা যাবে। এদিকে অফলাইনে ডিএম, এসডিএম বা এসডিও দফতরে গিয়ে আপিল করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তবে এই ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে আরও একাধিক প্রস্তাব সামনে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, কোনও আবেদন বাতিল হলে তার স্পষ্ট কারণ জানানো বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দ্রুত অফলাইন আপিল গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।
আরও খবর : ‘অর্মত্য সেনের জমিও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, আমি আটকেছি’ নানুর থেকে সোচ্চার মমতা
সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে ফাইলিং কেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে। এসডিও (SDO) এবং এসডিএম (SDM)-এর ভূমিকা স্পষ্ট করার পাশাপাশি বিডিও (BDO) অফিসেও আপিল জমা দেওয়ার অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যাতে স্থানীয় স্তরে মানুষ সহজে আবেদন করতে পারেন। ন্যায্য শুনানির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আপিলকারী নিজে বা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে শুনানিতে উপস্থিত থাকতে পারবেন। একইসঙ্গে শারীরিক ও ভার্চুয়াল, দুই ধরনের শুনানির ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে। শুনানির তারিখ আগে থেকেই আবেদনকারীকে জানানো বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রয়েছে।
অনলাইন ব্যবস্থায় উন্নতির জন্য নথি আপলোডের সুবিধা যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে অফলাইন প্রক্রিয়ায় আপিলের জন্য একটি নির্দিষ্ট ফর্ম নির্ধারণ করতে হবে, প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত করার অনুমতি দিতে হবে ও আবেদন জমা দেওয়ার পর রসিদ প্রদান করতে হবে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদিন আপিলের ফলাফল প্রকাশ করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে লক্ষ্য একটাই আপিল প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, সহজ ও কার্যকর করে তোলা, যাতে সাধারণ ভোটাররা এতে উপকৃত হন।
দেখুন অন্য খবর :

