কলকাতা বুধবার, ২৯ মে ২০২৪ |
K:T:V Clock

চতুর্থ স্তম্ভ (Fourth Pillar) | আদিত্যনাথ যোগী আসছেন এ রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে, তার আগে কিছু কথা
কলকাতা টিভি ওয়েব ডেস্ক Published By: 
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪, ০৪:৫০:১৬ পিএম
  • / ১২ বার খবরটি পড়া হয়েছে

বিবর্তন জীবজগতের সেই প্রজাতিকে আরও উন্নত করে, আরও কার্যকরী করে, ডারউইনের বিবর্তনবাদ তেমন কথাই বলে। আবার সেখানেই দেখা যায়, বিবর্তন ছাড়াই টিঁকে গেছে কিছু ব্যতিক্রমী প্রজাতি, তারা ভীষণ রক্ষণশীল, তারা ঘেয়ারাটোপের মধ্যেই থাকে, তারা অন্য প্রজাতি, উন্নততর প্রজাতি দ্বারা প্রভাবিত হয় না, তাদের যেটুকুওবা বিবর্তন হয়, তাও নেহাতই বাহ্যিক, যেমন রং পরিবর্তন ইত্যাদি। বেশ কিছু প্রজাতির শ্যাওলা, এক কোষী প্রাণী ইত্যাদি এই ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে। রাজনীতির জগতেও বিবর্তন চলতে থাকে, বানর হইতে মানুষের বিবর্তনে শ্রমের ভূমিকার মতনই,কংগ্রেস বিরোধিতা থেকে  বিজেপি কং সমদুরত্বের নীতি থেকে লেফট কংগ্রেস অ্যালায়েন্স এ, ভোটের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বামফ্রন্ট থেকে উন্নততর বামফ্রন্ট, তৃণমূল থেকে উন্নততর তৃণমূলের পেছনেও সেই একই প্রক্রীয়া কার্যকরী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিবর্তন, ডারুইনের তত্বকে অস্বীকার করে মানুষ হইতে বানরের উলটোরথে চেপে বসেছে, ২০২১ এ যাদবপুর এইট বি বাস স্ট্যান্ড এ স্বচক্ষে দেখেছি ও স্বকর্ণে শুনেছি, রাহুল সিনহার বক্তব্য শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে ঘোষনা করা হল, এতক্ষণ যাঁর কথা শোনার জন্য আপনারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন, সেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় হাজির, জণগণের হাততালি। রাহুল সিনহার প্রতিক্রিয়া ছিল দেখবার মত, স্বাভাবিক প্রতিক্রীয়া। তো সেই রাজীব বন্দ্যো আবার পুনর্মূষিক ভবঃ।  আজকাল প্রায়শই বঙ্গ বিজেপির পদযাত্রার সামনের মুখ দেখে, সেই উলটো রথের কথা মনে পড়ে।  শুভেন্দু অধিকারী, অর্জুন সিং, তাপস রায় পেছনে শঙ্কু পান্ডা, পাশে রুদ্রনীল ঘোষ।

তৃণমূল কি পাল্টাচ্ছে না? পাল্টাচ্ছে বৈকি, দলের এক ঝাঁক রত্ন, শুভেন্দু, নিশীথ প্রামাণিক, অর্জুন সিং তাপস রায় ইত্যাদিদের বিরুদ্ধে একরাশ কথা না বলে তাদের ভাষণ শেষ হচ্ছে না, অনেক তৃণমূল নেতা এখন মান ও সন্মান নিয়ে মাঝে মধ্যেই চিন্তিত হচ্ছেন, যে সুক্ষ্ম অনুভূতি তাদের আগে ছিল না, ওদিকে সাঁইবাড়িতে রক্তমাখা ভাত ইত্যাদি ইতিহাস ভুলে মান্নান অধীর, বিমানদার সেলিমদার পরামর্শ নিতে ব্যস্ত, বিমল গুরুং, রোশন গিরিরা বদলে গেছেন, যাচ্ছেন, এত দ্রুত যে তাল রাখা দায়।  ছত্রধর এর ডাকে মাওবাদের শপথ নেওয়া অনেকেই এখন ভোটপ্রচারে, এসবই বিবর্তন। আর এস এস এর বিবর্তন, কেবল হাফ প্যান্ট থেকে ফুল প্যান্ট এ, আর সব এক। এখনও তারা ততখানিই মুসলমান বিরোধী, যতটা ছিলেন, এখনও তাঁরা মনে করেন হিন্দু রাষ্ট্র স্থাপনা হবে, যখন সারা বিশ্বে ধর্ম নির্ভর রাষ্ট্র উঠে যাবার মুখে, সবেধন নীলমণি নেপাল ও আর হিন্দুরাষ্ট্র নয়, ইসলামিক রাষ্ট্রের মধ্যে চলছে উথাল পাথাল। আর এস এস এখনও হিটলারের মতনই, এক জঙ্গি রাষ্ট্রবাদের জন্ম দিতে চায়, যা পৃথিবীতে কেউই মেনে নেবে না। তারা এখনও মনে করে, প্রাচীন অর্বাচীন কুসংস্কারের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঐতিহ্য, তাদের ধারণা মানুষের মাথা কেটে হাতির মাথা জুড়ে দেওয়া যায়, এরা ঐ শ্যাওলা বা এককোষী প্রানীদের মত, যারা নিজেদের বিবর্তনে নিজেরাই বাধা তৈরি করে, যেটুকু বিবর্তন, তাও বাহ্যিক।

কিন্তু বিজেপি সর্বোচ্চ নেতাদের বিবর্তন চোখে পড়ার মত, আজ সেই বিবর্তন নিয়ে কিছু আলোচনা করা যাক, বিজেপির উথ্বান আদবানি, বাজপেয়ীদের হাত ধরে, আদবানি রথে চড়েন, বাজপেয়ী শায়রী করেন, দুজনেই সময় পেলে একসঙ্গে সিনেমা দেখেন, আদবানি একটু বেশি দেখতেন, নিরামিশাষি ছিলেন। ওদিকে বাজপেয়ী আমিষ পছন্দ করতেন, খাদ্য পানিয়ের রসিক ছিলেন তিনি। একজন কট্টর অন্যজন উদার। এইরকম একটা চেহারা। মানে কেন্দ্রে বিজেপির দুটো মুখ, উদার এবং কট্টর। একজন বাবরি মসজিদ ভাঙছে দেখে আনন্দে উদ্বেল হয়ে ওঠেন, অন্যজন দিল্লি থেকে বিবৃতি দেন, জো হুয়া ও অচ্ছা নঁহি হুয়া, কিন্তু মাত্র তার আগের দিন লক্ষ্ণৌতে করসেবকদের সামনে তাঁর বক্তৃতায় বাজপেয়ী বলেছিলেন, রামলালার মূর্তি যেখানে বসানো হবে সেই ভূমিতো সমান করে নিতেই হবে, বোঝা যায় পরিস্কার যে ৬ ডিসেম্বর কী হবে, তা তিনি বিলক্ষণ জানতেন, এক কৌশলের অঙ্গ হিসেবেই সেদিন তিনি সেখানে ছিলেন না। সে যাক যাই থাকুক মনে মানুষের কাছে বিজেপির এক উদার মুখ ছিল বাজপেয়ী। যিনি কিছুদিন পরেই গুজরাট দাঙ্গার সময়ে নরেন্দ্র মোদী কে রাজধর্ম পালন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই সময়ে মোদিজীর রথযাত্রায় সওয়ার ছিলেন তাঁর ভাবশিষ্য নরেন্দ্র মোদী। প্রায় রামের হনুমানের মত অপার ভক্তি ছিল আদবানির প্রতি, আদবানিও আগলে রেখেছিলেন তাঁর এই ভাবশিষ্য কে।

তাহলে দাঁড়ালো কী? ২০১৪ র আগে মুখ দুখানা, ভেতরে যাই থাক ওপরে একজন কট্টর, অন্যজন উদার। কট্টর বা উদার যেই হন না কেন, তাঁদের কারোর মুখ থেকে মিঁইয়া মুসাররফ কে চাহনেবালোঁ বা পপ্পু ইতলিবালে মামু কে পাস যাও গোছের তরল, বিষাক্ত সাম্প্রদায়িক শব্দ শোনা যায়নি। আমরা বুঝতেও পারিনি, কখন আদবানি জামানা শেষ হয়ে গ্যালো, প্রধানমন্ত্রী হয়ে সংসদ ভবনে প্রথমবার ঢুকে আদবানির বক্তৃতার পরে অমন হু হু কান্না ভরা ভাষণেও বোঝা যায়নি। কদিন পরেই বোঝা গ্যালো, আদবানি আপাতত খরচের খাতায়, মার্গদর্শকমন্ডলী বলে এক কমিটিতে পুতুল মাত্র। এবার বিজেপির মুখ আরও তীক্ষ্ণ, বিজেপির প্রধান মুখ প্রকাশ্য সভায় মুসলমান দের জামাকাপড় নিয়ে কথা বলেন, হিন্দু অস্মীতা রাখার জন্য সব নিয়ম চুলোয় রেখে রামমন্দির উদ্বোধনে যান, এতটুকু দ্বিধা নেই তাঁর আমেরিকার পদলেহনে, অবকি বার ট্রাম্প সরকার বলেন অনায়াসে। অটলবিহারি বা আদবানির শিক্ষা দিক্ষা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই, তাঁদের মুখে অনায়াস অনর্গল হিন্দুত্বের কথা থাকলেও কটুকথা শোনা যায়নি, এক ধরণের ভদ্রতা যাকে উত্তর ভারতের মানুষজন গঙ্গা যমুনা তহজিব বলেন, সেটা তাঁদের ছিল, যা নরেন্দ্র মোদীর নেই, অনর্গল মিথ্যে বলেন, নিজের সম্পর্কে মিথ্যে বলেন, মিথ্যে বলতে গিয়ে হাস্যকর প্রমাণিত হন। এবং তারপর? মোদী আগামী লোকসভা নির্বাচনের সময় ৭৮ বছরের বৃদ্ধ, বিজেপির নয়া মুখ তৈরি, আদিত্যনাথ যোগী, দৃশ্যতই গেরুয়া পরিহিত কনফোড় নাথ সম্প্রদায়ের এই সন্যাসী হিন্দুত্বের আইকন। মোদীর পর তিনিই বিজেপি সমর্থকদের চোখের মণি। কারণ তিনি প্রকাশ্য জনসমাবেশেই বলতে পারেন এই লড়াই আলি ভার্সেস বজরংগবলী, আসাউদ্দিন ওয়েইসিকে ভারত ছেড়ে যেতে হবে, কংগ্রেস টিপু সুলতানের র দল, আমরা হনুমানের, প্রভু হনুমান নাকি একজন দলিত ছিলেন, তিনিই বলতে পারেন, প্রকাশ্য সভায় বলতে পারেন ওরা আমাদের একজন কে মারলে আমরা ওদের ১০ জন কে মারবো। এবং ওনার বলার পরে আপ্লুত বিজেপি সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়ে, তারা তাদের আইকন কে চিনতে পারে। কেবল সমর্থক? এমন কি দলের সিনিয়র নেতা, অন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা এই ৪৯ বছরের যোগীকে অনুসরণ করছেন। যোগী তাঁর রাজ্যে লাভ জিহাদ আইন আনলেন, সঙ্গে সঙ্গে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, অসমের মূখ্যমন্ত্রী সেই আইন তাঁর রাজ্যে আনার ঘোষণা করলেন, দুবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন হরিয়ানার প্রবীণ নেতা মনোহরলাল খট্টর ও একই আইন আনার কথা বলেছেন, কর্ণাটকের ইয়েদুরিয়াপ্পাও একই পথে ছিলেন, হেরে ক্ষান্ত দিয়েছেন। যোগীই প্রথম নেতা সমর্থক পুলিশ দিয়ে কৃষক আন্দোলন পিটিয়ে খতম করার পথ নিলেন, সঙ্গে সঙ্গে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীও একই কাজে নেমেছিলেন, সফল হন নি দুজনেই, সে তো আলাদা গল্প, কিন্তু এই ঝটিকাবাহিনী তৈরি করে গণ আন্দোলন থামানো, এটা যোগীজী এন আর সি আন্দোলনের সময়েও চেষ্টা করেছিলেন, আন্দোলনে সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ আন্দোলনকারীদের কাছ থেকে আদায় করার কথা বলেছিলেন, সঙ্গে সঙ্গে তা অনুকরণ করেছিল কর্ণাটকের ইয়েদুরিয়াপ্পা সরকার। মানে এক কথায় বিজেপি মডেল ৪ রেডি।এবং একইভাবে উত্তরপ্রদেশের দিকে তাকিয়ে দেখুন, অর্থনৈতিক সামাজিক সমস্ত দিক থেকে এক চুড়ান্ত পতনের ছবি। হাথরস, আবার হাথরস, বিজনৌর, বদায়ুঁ, আবার বিজনৌর, আবার বদায়ুঁ, কনৌজ এ মহিলাদের ধর্ষণ, খুন, কেবল তাই নয় ধর্ষকরা সরকারের প্রোটেকশন পাচ্ছে, পুল্লিশ মাঝরাতে মৃতদেহ পুড়িয়ে দিচ্ছে, অন্যাভাবে মানুষ কে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, হিন্দু মুসলমান কোভিড রোগীদের আলাদা ওয়ার্ড তৈরি হয়েছে, এক ডাক্তারের ছবি টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে থানায় থানায়, ডঃ কাফিল খান নাকি রাজ্যের ১০০ জন দাগী অপরাধীর মধ্যে অন্যতম। এক সাংঘাতিক অবস্থা। তারি মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেক ভাষণে অনুষ্ঠানে যা বলছেন, তা অন্য বিজেপি নেতাদের মুখেও শোনা যায় নি। উনি এসেছিলেন ক্ষমতায় এই বলে যে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি ঘটাবেন, গত ৩ বছরে যতবার উত্তরপ্রদেশ খবরের কাগজের হেডলাইনে এসেছে, ততবারই ধর্ষণ, খুন, মাফিয়াদের কাজকারবারের জন্য এসেছে, নাহলে সরকারের অগণতান্ত্রিক কাজের জন্য খবর হয়েছে। অন্যদিকে অর্থনীতি, সেখানেও চুড়ান্ত খারাপ ছবি। ২০২১-২০২২ অর্থিক বর্ষে উত্তর প্রদেশের মানুষজনের মাথা পিছু রোজগার ছিল ৬৬৫১২ টাকা, পশ্চিম বঙ্গের ছিল ১০১১৩৮ টাকা। ২০২২-২০২৩ র ছবিও আলাদা নয়, উত্তরপ্রদেশের মাথা পিছু আয় ৭০৪১৯ টাকা, পশ্চিমবঙ্গের ১১৫৭৪৮ টাকা। এ হিসেব কেন্দ্র সরকারের দেওয়া। ২০১৭ তে যোগী ক্ষমতায় এসেছেন, তার আগের বছর মানে অখিলেশ ক্ষমতায় আছেন, ২০১৬-২০১৭ তেউত্তরপ্রদেশের জিডিপি ১০.৮৭ %, এরপর যোগী এলেন, ২০১৭-২০১৮ তে জিডিপি ৭.২৪ %, ২০১৮ – ২০১৯ তে আরও কমে ৫.৩৩%, ২০১৯-২০২০ তে আরও কমে উত্তরপ্রদেশের জি এস ডি পি দাঁড়ালো ৪.৩৮ %। ২০২২ – ২৩ এ সামান্য বেড়েছে। অন্য গ্রাফগুলো লাগাতার নেমেছে, অপরাধ, খুন ধর্ষণের গ্রাফ বেড়েছে, বিরাট সংখ্যালঘু মানুষজন ভীত সন্ত্রস্থ। তাঁর সাকুল্যে বড় কাজ হল রাম মন্দির। মানে রাম রাজত্ব নয় কেবল মন্দির। অথচ এই আদিত্যনাথ যোগী এই বাংলার নির্বাচনে হয়ে উঠবেন বিজেপির অন্যতম প্রচার মুখ, তীব্র, তীক্ষ্ণ ভাষায় ঘৃণা ছড়াবেন, তাঁর চারধারে ভক্তরা গর্জন করবেন জয় শ্রী রাম, আর সেই গর্জনে ঢাকা দেবার চেষ্টা হবে এই সহজ সত্য টা যে উত্তর প্রদেশের মানুষদের ন্যুনতম উন্নতির ছোঁয়া দিতে ব্যর্থ, তাঁর নিজের রাজ্যে ঘোর অন্ধকার তিনি সোনার বাংলা গড়ে দেবার প্রতিশ্রুতি দিতে এসেছেন। প্রচারক হিসেবে তাঁর চাহিদা এমন যে বিজেপি নেতারা এখন থেকেই কুলিয়ে উঠতে পারছেন না, সম্ভবত তিন ধাপে তাঁকে এ রাজ্যে নিয়ে আসা হবে।

আসুন, বাংলায় সবাই স্বাগত। কিন্তু হে কনফোড় নাথ সন্ন্যাসী আদিত্য নাথ যোগী, এ রাজ্যের বড়দের কথা ছেড়েই দিলাম, শিশুরাও বড্ড দুষ্টু, আপনার যাত্রার পথে যে কোনও এক শিশু চিৎকার করে বলতেই পারে “অ্যাই রাজা, তোর কাপড় কোথায়? তুই তো ন্যাংটা।“ হ্যাঁ মান্যবর, বলতেই পারে, তাই এ রাজ্যকে সোনার বাংলা বানানোর প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটপ্রচারে আসার আগে দয়া করে, মনে করে ঐ শিশুটির প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসবেন।

পুরনো খবরের আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০ ১১
১২ ১৩ ১৪ ১৫ ১৬ ১৭ ১৮
১৯ ২০ ২১ ২২ ২৩ ২৪ ২৫
২৬ ২৭ ২৮২৯ ৩০ ৩১  
আর্কাইভ

এই মুহূর্তে

মুখ্যমন্ত্রীর চটি ছিঁড়ে যাওয়াকে কটাক্ষ দিলীপের
শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪
উধাও বিজেপির পতাকা, ঝাড়গ্রামে রাজনৈতিক তরজা
শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪
ভরাডুবির মরসুম নিয়ে কী সাফাই দিলেন হার্দিক
শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪
বজরংবলীর আশীর্বাদ পাবেন ৫ রাশির জাতক
মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০২৪
Stadium Bulletin | কোন ৫ কারণে প্লে-অফের দোরগোড়ায় KKR?
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্বাচনী প্রচারে সতর্কবার্তা নির্বাচন কমিশনের
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
কখন শচীনের দ্বারস্থ হন কোহলি?
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
চোটে জর্জরিত ম্যান ইউয়ের আজ কঠিন লড়াই
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
মমতার দিদিগিরি বরদাস্ত করব না, কলকাতায় ফিরেই হুঙ্কার রাজ্যপালের
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি কলকাতায়
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
সুদীপের বিরুদ্ধে বিধিভঙ্গের অভিযোগ বিজেপির
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
মঙ্গলবার ৪ কেন্দ্রে ভোট, সব বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
সন্দেশখালি ভাইরাল ভিডিওতে কন্ঠস্বর গঙ্গাধর-জবারানির, দাবি শান্তি দলুইয়ের
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
জিতলে গম্ভীরের কৃতিত্ব হারলে দায় শ্রেয়সের? প্রশ্ন কিংবদন্তির  
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
রক্ষাকবচ সত্ত্বেও গ্রেফতার বিজেপি নেতা?
সোমবার, ৬ মে, ২০২৪
© R.P. Techvision India Pvt Ltd, All rights reserved.   Privacy Policy
Developed By KolkataTV Team