কলকাতা: রাজ্য সরকারের কসাইখানা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ঘিরে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) শুরু হল নতুন আইনি লড়াই। একদিকে জনস্বার্থ মামলা, অন্যদিকে বকরি ঈদের আগে ধর্মীয় ছাড়ের দাবি, দুই আবেদনেই সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
প্রথম মামলাটি দায়ের করেছেন তনবীর খায়ের। তাঁর পক্ষের আইনজীবী আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত শুনানির আবেদন জানান। ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আগামীকালই এই মামলার শুনানি হতে পারে।
আরও পড়ুন: ‘হাজার হাজার সোনা পাপ্পু ঘুরে বেড়াচ্ছে’, বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ
আবেদনকারীর দাবি, গত ১৩ মে রাজ্য সরকার কসাইখানা সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তিকেই চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে। মামলাকারীর বক্তব্য, পূর্ববর্তী এক মামলায় রাজ্য সরকার আদালতে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছিল যে, কসাইখানার নিয়ম বাস্তবায়নের মতো পরিকাঠামো রাজ্যে নেই। ফলে বর্তমান সরকারকে জানাতে হবে, সেই পরিকাঠামো আদৌ তৈরি হয়েছে কি না। যদি না হয়ে থাকে, তা হলে ২৮ মে থেকে কীভাবে নতুন নিয়ম কার্যকর করা হবে, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে।
অন্যদিকে রঘুনাথগঞ্জের এক বিধায়কও একই ইস্যুতে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার অনুমতি চেয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর আবেদন, কসাই সংক্রান্ত আইনের ১২ নম্বর ধারায় ধর্মীয় কারণে ছাড়ের কথা উল্লেখ রয়েছে। তাই আসন্ন বকরি ঈদের সময়ে যাতে ১৩ মের বিজ্ঞপ্তি কার্যকর না হয়, সে বিষয়ে আদালত হস্তক্ষেপ করুক।
ডিভিশন বেঞ্চ ওই আবেদনকারীকে আনুষ্ঠানিক ভাবে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দিয়েছে। ফলে কসাইখানা ও ধর্মীয় আচার সংক্রান্ত এই বিতর্ক আগামী কয়েকদিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছে আইনজীবী মহল।
