কলকাতা: কসবার (Kasba) ‘সোনা পাপ্পু’ কাণ্ডে (Sona Pappu Case) তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন নাম জড়াচ্ছে ইডির (ED) জালে। এবার এই মামলায় এক পুলিশকর্তা এবং কলকাতার (Kolkata) এক ব্যবসায়ীকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।
ইডি সূত্রে খবর, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডেপুটি কমিশনার তথা বর্তমান হাওড়া পুলিশের অফিসার গৌরব লালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। পাশাপাশি সমন পাঠানো হয়েছে ব্যবসায়ী জয় কামদারকেও। তদন্তকারীদের দাবি, সোনা পাপ্পুর সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ‘বিজেপি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিতে পারলে রাজনীতি ছাড়ব’, হুগলির সভা থেকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
গত ১ এপ্রিল শহরের মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময় সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ১ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা নগদ, সঙ্গে ৬৭ লক্ষ টাকার সোনা-রুপোর গয়না। বাজেয়াপ্ত করা হয় একটি গাড়ি ও একটি পিস্তলও। একই অভিযানে জয় কামদারের বাড়ি থেকেও নগদ উদ্ধার হয়েছিল বলে সূত্রের খবর।
তদন্তে উঠে আসছে, কসবা-বালিগঞ্জ এলাকার নির্মাণ সিন্ডিকেটে দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাব ছিল সোনা পাপ্পুর। অভিযোগ, বিভিন্ন নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা তোলা হত, যা পরে ‘প্রভাবশালী’ মহলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হত। সেই অর্থের লেনদেনের সূত্র ধরেই এখন জাল বিস্তার করছে ইডি।
তবে এত কিছুর পরেও অধরা সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। বারবার লাইভে সামনে এলেও, সমন পাঠানো সত্ত্বেও হাজিরা দেননি তিনি। ফলে তাঁকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশকর্তা ও ব্যবসায়ীকে তলব তদন্তের মোড় যে আরও জটিল দিকে যাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য। এখন নজর, ইডির জেরায় উঠে আসে কি না আরও বড় কোনও নাম।
