ওয়েবডেস্ক- হাইকোর্টে (High Court) বাচ্চাদের ক্রেস (Children’s cress) তৈরি হলেও নানান কারণে তা চালু করা যাচ্ছে না। আগের শুনানি পর্বে হাইকোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রীর জন্য চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। রাজ্যকে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু আজকে শুনানিতে ফের জানানো হয়, রাজ্য দুজন চিকিৎসক নিয়োগ করলেও এখনো প্রয়োজন দুজন আয়া, একজন নার্স, একজন প্রশাসনিক আধিকারিক এবং একজন নিরাপত্তা আধিকারিক নিয়োগ বাকি রয়েছে।
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ অবিলম্বে এই পদগুলোতে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্য পারলে নিয়োগ করুক না হলে হাইকোর্ট প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করতে হবে যাতে, তারা নিয়োগ করতে পারে এবং দ্রুত হাইকোর্টে নব নির্মিত বাচ্চাদের ক্রেস চালু করা যায়। ২৫ মার্চ ফের শুনানি এই মামলার।
২০১৯ সালে কলকাতা হাইকোর্টে ক্রেস চালুর দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন তিনজন আইনজীবী। এর পরেই ক্রেসের জন্য হাইকোর্টের চার তলায় একটি ঘর ঠিক হয়। তবে প্রশিক্ষিত নার্স এবং শিশু চিকিৎসকের অভাবে সেটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন- ‘বিমানদা সামনে আসুন’, ফিরহাদের খালি চেয়ার এগিয়ে দিলেন মমতা
প্রসঙ্গত, আদালতে মামলা চলার সময় মায়ের সঙ্গে খুদে বা একরত্তির থাকা সম্ভব নয়। ধরা যাক, একজন সদ্য মা হয়েছেন। কিন্তু সওয়াল জবাবের সময় তার সঙ্গে থাকা শিশুটি হঠাৎ করে সে কান্নাকাটি জুড়ে দিতে পারে, ঘুমও পেতে পারে। আবার শরীর খারাপও হতে পারে। সব কিছু ভেবে চিন্তে ক্রেস খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ক্রেস খোলা সম্ভব হয়ে উঠল না। এই সুবিধাটি চালু হলে আদালত কর্মী, আইনজীবী এবং মামলাকারীরা তাঁদের ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের সেখানে রাখতে পারবেন
