ওয়েব ডেস্ক : ভোটার তালিকা ও মনোনয়ন প্রক্রিয়াকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ তুলল সিপিএম (CPM)। কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বেরও অভিযোগ তোলা হয়েছে। এতে গণতন্ত্রই বিপদের মুখে বলেও জানানো হয়েছে। সিপিএমের অভিযোগ, ভোটার তালিকা তৈরি থেকে শুরু করে অ্যাডজুডিকেশন (Under adjudication), সব ক্ষেত্রেই পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে। সঙ্গে জানানো হয়েছে, ভোটারদের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার কোনও অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই।
কসবা কেন্দ্রে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে সিপিএম (CPM) প্রার্থী দীপু দাস সমস্যায় পড়েন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ, রিটার্নিং অফিসার নাকি প্রথমে জানান, তিনি ভোটার নন। পরে সার্ভার সমস্যার কথা বলা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন জমা দিতে সক্ষম হন প্রার্থী। কসবা, মহেশতলা, ফলতা ও কুলপি, এই চারটি এলাকা নিয়েও বিশেষভাবে অভিযোগ তোলা হয়েছে সিপিএমের তরফে। তাদের দাবি, নির্বাচন কমিশন নিজের সাংবিধানিক সীমা অতিক্রম করছে।
আরও খবর : মমতাকে হারাতে BJP–র সঙ্গে ‘ডিল’? ফাঁস হুমায়ুনের ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা, দেখুন এই ভিডিও
সিপিএমের তরফে আরও অভিযোগ, প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই বলেও দাবি করা হয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ। সিপিএম প্রশ্ন তুলেছে, ভোটার তালিকার মতো মৌলিক বিষয় সামলাতে না পারলে নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে? পাশাপাশি প্রথম দফার ভোটের তালিকা ‘ফ্রিজ’ হয়ে গেলেও রাজনৈতিক দলগুলির হাতে তা এখনও পৌঁছায়নি বলেও অভিযোগ।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে সিপিএমের (CPM) দাবি, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র রক্ষা করা কঠিন হয়ে উঠছে। কমিশনের ব্যর্থতার দায় তাদেরই নিতে হবে বলেও সাফ জানানো হয়েছে।
দেখুন অন্য খবর :

