ওয়েব ডেস্ক: ‘অভিশপ্ত’ ২০২৫ পেরিয়ে আমরা ২০২৬-এ পা রেখেছি, কিন্তু তাতেও বাগে আসেনি বিপর্যয়। এবছরের শুরু থেকেই একের পর এক ভূমিকম্প (Earthquake) হয়েই চলেছে। রেহাই পায়নি ভারতও। সিকিমের পর এবার শক্তিশালী ভূকম্পনের সাক্ষী থাকল কলকাতা (Kolkata Earthquake) ও শহরতলি লাগোয়া একাধিক জেলা। তবে ২০২৬-এ এর থেকেই ভয়াবহ কিছু হয়তো অপেক্ষা করছে বিশ্ববাসীর জন্য। কারণ ইতিমধ্যে এবছরের জন্য একাধিক ‘ভয়ঙ্কর’ ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন বুলগেরিয়ার ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা (Baba Vanga Prediction), যাঁকে অনেকেই ‘বলকানের নস্ত্রাদামুস’ বলে উল্লেখ করেন।
বাবা ভাঙ্গার অনুগামীদের দাবি, ২০২৬ সালে প্রকৃতির রোষ ভয়াবহ আকার নিতে পারে। বিশেষ করে এশিয়া এবং ইউরোপের একাংশে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে। কথিত রয়েছে, পৃথিবীর প্রায় ৭ থেকে ৮ শতাংশ স্থলভাগ ভূমিকম্প, সুনামি বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ইতিমধ্যে এই ভবিষ্যদ্বাণী অনেকাংশে মিলে গিয়েছে, এই এলাকার একাধিক দেশ সাক্ষী থেকেছে ভূকম্পনের।
আরও পড়ুন: কেন বাড়ছে ভূমিকম্প? ঘনিয়ে আসছে পৃথিবীর শেষ দিন? দেখুন ভয় ধরানো আপডেট
তবে শুধু ভূমিকম্পই নয়, বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণীতে চরম আবহাওয়া, ভয়াবহ বন্যা, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং বাস্তুতন্ত্রে আমূল পরিবর্তনের কথাও মিলেছে। বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলিতে, যার মধ্যে ভারতও রয়েছে, কম্পনের মাত্রা তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এবছর ভারত কি সত্যিই বিপদের মুখে? ভবিষ্যদ্বাণীতে বাবা ভাঙ্গা সরাসরি ভারতের নাম উল্লেখ না করলেও তিনি ‘পূর্বের দেশ’ এবং এশিয়ার ভূখণ্ডে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
যদিও ভূতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পের নির্ভুল আগাম পূর্বাভাস দেওয়া এখনও বিজ্ঞানের পক্ষে সম্ভব নয়। পাশাপাশি, বাবা ভাঙ্গার কোনও নির্ভরযোগ্য লিখিত দলিল পাওয়া যায়নি। তাঁর নামে প্রচলিত বহু ভবিষ্যদ্বাণী পরে মুখে মুখে ছড়িয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বদলেছে বা অতিরঞ্জিত হয়েছে। অতীতে তাঁর নামে প্রচারিত অনেক ভবিষ্যদ্বাণী যাচাই করলে অস্পষ্ট বা ভিন্ন ব্যাখ্যার সুযোগ দেখা যায়। তাই গুজবে কান দেওয়া উচিত নয়।
দেখুন আরো খবর:
