কামারহাটি: কামারহাটির (Kamarhati) আরিয়াদহে (Ariadaha) প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জমি জবরদখল করে পার্ক তৈরির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগের তির তৃণমূল (TMC) পরিচালিত কামারহাটি পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মায়া দাস, তাঁর স্বামী তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর মিঠু দাস এবং তাঁদের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাউন্সিলর। ঘটনার তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপিও।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আরিয়াদহের ২৮ নম্বর শ্রীগোপাল মল্লিক রোড এলাকায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সুবীর চন্দ্রের এক কাঠা এক বর্গফুট জমি রয়েছে। পরিবারের দাবি, ওই জমির বৈধ রেজিস্ট্রি করা দলিলও তাঁদের কাছে রয়েছে। অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে ওই জমি জবরদখল করে সেখানে পার্ক তৈরি করা হয়। শুধু তাই নয়, জায়গাটিতে ফলকও বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।
আরও পড়ুন: ডিভিসিতে চাকরি নিয়ে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! অন্ডালে হাতাহাতি
সুবীরবাবুর স্ত্রী শ্যামলী চন্দ্রের অভিযোগ, জমি দখলের বিরুদ্ধে কামারহাটি পুরসভা থেকে দক্ষিণেশ্বর থানায় একাধিকবার লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও প্রশাসনের তরফে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ন্যায়বিচারের আশায় ঘুরছেন বলেও দাবি পরিবারের।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে ফের বিষয়টি সামনে এনে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। পরিবারের দাবি, জবরদখল হওয়া জমি ফেরত দেওয়া হোক। এই ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা মৃণাল মুখার্জির অভিযোগ, “ক্ষমতার দাপটে সাধারণ মানুষের জমি দখল করা হয়েছে। প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে চুপ থেকেছে।”
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাউন্সিলর মায়া দাস। এ বিষয়ে কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা জানিয়েছেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন প্রশাসনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তাঁর পরিবার।
