ওয়েব ডেস্ক : মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপ ব্লকের মহেশগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতলে। অভিযোগ, পাঁচ বছরের এক শিশুকে হাসপাতাল (Hospital) থেকে দেওয়া হয়েছিল একমাস আগে মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া ওষুধ (Medicine)। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
অভিযোগকারী গৃহবধূ ঝুমা দেবনাথের বাড়ি মহেশগঞ্জ মায়াপুর মোড় এলাকায়। তিনি জানান, গত শনিবার তাঁর পাঁচ বছরের ছেলে পেটের ব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে মহেশগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক কিছু ওষুধ লিখে দেন। হাসপাতাল থেকেই সেই ওষুধ সরবরাহ করা হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। সঅভিযোগ, বাড়িতে গিয়ে ছেলেকে ওষুধ খাওয়ানোর আগে ওষুধের (Medicine) গুণগত মান নিয়ে সন্দেহ হয় তাঁর। এরপর ওষুধের প্যাকেট পরীক্ষা করে দেখেন তিনি। দেখেন, একাধিক ওষুধের মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে গত এপ্রিল মাসেই। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি আর নিজের সন্তানকে সেই ওষুধ খাওয়াননি।
আরও খবর : ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় বড় ভাঙন, একযোগে পদত্যাগ ৮ তৃণমূল কাউন্সিলরের
পরবর্তীতে স্থানীয়দের বিষয়টি জানানোর পর সোমবার তিনি হাসপাতালে এসে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানান। হাসপাতালের (Hospital) বিএমওএইচ চিকিৎসক ইলিশা দাসের কাছেও লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। যদিও এই ঘটনায় সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি বিএমওএইচ। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি ১৫ দিন অন্তর ওষুধের স্টক পরীক্ষা করা হয়। তা সত্ত্বেও কীভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রোগীর হাতে পৌঁছে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পর হাসপাতালের বর্তমান ওষুধের স্টকও নতুন করে পরীক্ষা করা শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, ওই একই ব্যাচের আরও কত ওষুধ রোগীদের দেওয়া হয়েছে? কেউ যদি সেই ওষুধ খেয়ে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন, তার দায় কে নেবে?
দেখুন অন্য খবর :
