যাকে আমরা মৃত্যুর দেবতার হিসাবে জানি। সেই যমরাজের মন্দির আছে।মন্দিরটিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে নানা রোমহর্ষক কাহিনী। তবে সেটি কোথায় আছে, কি রকম দেখতে সেই মন্দির এবং কি হয় সেখানে জেনে নিন।
এমনকি ওই মন্দির সম্পর্কে শোনা যায় যে ওই মন্দিরটি নাকি পাহাড়া দেয় দুটি চার চোখওয়ালা কুকুর,যারা যমরাজেরই পোষ্য এবং মন্দিরের ভিতর নাকি একটি শূন্য প্রকোষ্ঠ রয়েছে। সেখানে নাকি স্বয়ং যমরাজের শাসন চলে। আর এই প্রকোষ্ঠে একবার কেউ প্রবেশ করলে সে আর জীবিত অবস্থায় বেরিয়ে আসে না। তবে ওই মন্দিরের সত্যিই কি যমরাজ বসবাস করেন কি না তা নিয়ে তেমন কোনো প্রমান পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: বজরঙ্গি ভাইজানের নতুন লুক, নেপথ্যে কারণ কী?
দিল্লি থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূরে হিমাচল প্রদেশের চম্বা জেলায় ভারমোর এলাকায় রয়েছে যমরাজের মন্দির৷ ভারমোর এলাকার এই প্রাচীন মন্দিরটি ভারতের মাটিতে যমরাজের একমাত্র মন্দির। এই মন্দিরটির ধর্মেশ্বর মহাদেব মন্দির নামে পরিচিত। হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে যমরাজ হলেন মৃত্যুর দেবতা। মন্দিরের আশেপাশের মানুষজনের বিশ্বাস, মৃত্যুর পর এই মন্দিরেই মৃত ব্যক্তির আত্মার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় যমরাজের। এখানে বসেই তাঁদের বিচার করেন যমরাজ। বাসিন্দাদের বিশ্বাস, স্বয়ং যম এই মন্দিরেই বাস করেন। তবে যমরাজ একা নয়, এই মন্দিরের একটি আলাদা ঘরে রয়েছেন চিত্রগুপ্তও। তাঁর কাজ হল, জীবদ্দশায় মানুষের পাপপুণ্যের হিসাব রাখা। মন্দিরটি নাকি পাহারা দেয় দুটি চার চোখওয়ালা কুকুর, যারা আদপে যমরাজেরই পোষ্য।
এই মন্দিরের রয়েছে চারটি অদৃশ্য দরজা। যা সোনা, রুপো, তামা আর লোহায় তৈরি। আর যমরাজের বিচার শোনার পরে যমদূত এসে ওই ব্যাক্তির কর্মফল অনুযায়ী এই চারটি দরজার একটি দিয়ে আত্মাকে স্বর্গ বা নরকে নিয়ে যায়। গরুড় পুরাণেও অবশ্য যমরাজের দরবারের চারদিকে এমনই চারটি দরজার কথা উল্লেখ আছে।