ওয়েব ডেস্ক: শীত (Winter) পড়তেই বাঙালির ঘরে ঘরে পিঠের প্রস্তুতি। আর হাতে গোনা কয়েকদিন পরেই পৌষ পার্বণ (Poush Parban) বা মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti)। পশ্চিমবঙ্গে এই দিন মানেই আলপনা, নতুন ধান ওঠার আনন্দ আর পিঠে–পুলি–পায়েসের গন্ধে ভরে ওঠা বাড়ি। গ্রামবাংলা হোক বা শহর—পৌষ সংক্রান্তিতে পিঠে ছাড়া উৎসব যেন অসম্পূর্ণ।
চালের গুঁড়ো, ময়দা, নারকেল, দুধ আর খেজুর গুড়—এই কয়েকটি উপকরণেই তৈরি হয় শীতের সেরা স্বাদ। বিশেষ করে বাজারে খেজুর গুড় এলেই পিঠের কদর বেড়ে যায়। নানা ধরনের পিঠের মধ্যে পুলি পিঠে সবচেয়ে জনপ্রিয়। তবে অনেকেই ঠিক পরিমাপ বা সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে স্বাদটা জমাতে পারেন না। তাই রইল একদম সহজ আর পারফেক্ট পুলি পিঠের রেসিপি।
আরও পড়ুন: নদী–পাহাড়–রাজবাড়ি এক সফরে! শান্তিনিকেতনের কাছে লুকোনো শীতের সেরা ডেস্টিনেশন
উপকরণ
পুলি বানানোর জন্য
চালের গুঁড়ো – ১.৫ কাপ
ময়দা – ১/২ কাপ
নুন – ১ চা চামচ
সাদা তেল – ২ টেবিল চামচ
জল – ২.৫ কাপ
পুর বানাতে
নারকোল কোরা – ১.৫ কাপ
খেজুর গুড় – ১ কাপ
চিনি – ১/৪ কাপ
খোয়া ক্ষীর – ১/৪ কাপ
দুধের রসের জন্য
দুধ – ১.৫ লিটার
খেজুর গুড় – ১ কাপ
চিনি – ১/৪ কাপ
প্রণালী
প্রথমে কড়াইয়ে জল, নুন ও তেল গরম করুন। এতে চালের গুঁড়ো ও ময়দা দিয়ে ভালো করে নেড়ে ঢেকে ১০–১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর মণ্ডটা ভালো করে মেখে নিন। আলাদা কড়াইয়ে নারকোল কোরা, গুড় ও চিনি দিয়ে নাড়ুন।
খোয়া ক্ষীর দিয়ে পুরটা কষিয়ে নিন। কড়াই ছেড়ে এলে নামিয়ে ছোট লম্বা পুর বানান। এবার মণ্ড থেকে অল্প নিয়ে গর্ত করে পুর ভরে পুলির আকার দিন। বড় সসপ্যানে দুধ জ্বাল দিয়ে একটু ঘন হলে গুড় ও চিনি মেশান।পুলি ছেড়ে দিয়ে অল্প আঁচে ফুটিয়ে ঢেকে রাখুন। দুধে ভিজে গেলে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।পৌষ সংক্রান্তি হোক বা শীতের যেকোনো দিন—এই নরম, মিষ্টি পুলি পিঠে একবার খেলে স্বাদ ভুলতে পারবেন না!