কলকাতা: এখন যুগটাই স্মার্টফোনের (Smart Phone)। বেসিক ফোনের সময় পেরিয়ে গিয়েছে। বেসিক ফোন এখন প্রায় ইতিহাসের পাতায়। বর্তমানে স্মার্টফোন কিনতে গেলে, অনেকেই দেখে নেন যে পছন্দের ফোনটি ওয়াটার প্রুফ কি না। কারণ, বৃষ্টির (Rain) জল লাগলে আপনার এত দামের ফোনটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বা মনের ভুলে হাত থেকে ফোনটি জলের মধ্যে পড়ে যেতে পারে। সেই জন্যই ওয়াটার প্রুফ স্মার্টফোন কেনার দিকে ঝোঁকেন বহু মানুষ। স্মার্টফোন নির্মাতারাও চায়, তাদের ফোনে সেই সব ফিচার দিতে। তবে কিছু কিছু নির্মাতারা তাদের পণ্যগুলিকে ওয়াটার প্রুফ, ওয়াটার স্প্ল্যাশ প্রুফ বা স্পিল প্রুফ বলে বিক্রি করে। তবে অনেকেই এই সব কিছুর মধ্যে পার্থক্য জানেন না। মনে করেন সবটাই ওয়াটার প্রুফের তালিকাতেই পড়ছে। কিন্তু না, ওয়াটার প্রুফ স্মার্টফোন এবং অন্যান্য স্মার্টফোনের মধ্যে একটি বড় পার্থক্য রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
ওয়াটার প্রুফ স্মার্টফোন- এই ধরনের স্মার্টফোন জলে ডুবে থাকার পরেও পুরোপুরি কাজ করে। যদিও ওয়াটারপ্রুফ স্মার্টফোন মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্যই এই কাজটি করতে পারে। কিন্তু তারপর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে বেশিরভাগ স্মার্টফোনই ওয়াটার প্রুফ নয়। এর কারণ হল, কোনও স্মার্টফোনকে ওয়াটার প্রুফ করতে গেলে অনেক খরচ হয়। কোম্পানি যখনই কোনও ফোন কম দামে বিক্রি করে, তখন অনেক সময়ই সেই ফোন ওয়াটার প্রুফ হয় না।
আরও পড়ুন:CoWin | কোউইন অ্যাপ থেকেই ফাঁস ব্যক্তিগত তথ্য! পুলিশে অভিযোগ ডেরেকের
স্প্ল্যাশপ্রুফ স্মার্টফোন- স্প্ল্যাশপ্রুফ স্মার্টফোন ওয়াটার প্রুফ স্মার্টফোন থেকে একেবারেই আলাদা, অনেক সময় দোকানদাররা এগুলিকে ওয়াটার প্রুফ স্মার্টফোন হিসেবে বিক্রি করে। কিন্তু আদৌ তা হয় না। ওয়াটারপ্রুফ স্মার্টফোনের তুলনায়, এগুলি জলে রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। যদি এই স্মার্টফোনগুলিতে একটু জল পড়ে, তবে তা সঙ্গে সঙ্গে খারাপ হয়ে যায় না। কখনও কখনও বিভিন্ন সমস্যাও দেখা দিতে থাকে।
স্পিলপ্রুফ স্মার্টফোন- স্পিলপ্রুফ স্মার্টফোন স্প্ল্যাশপ্রুফ স্মার্টফোনের চেয়ে জলে অনেক কম কাজ করতে পারে। তার মানে আপনার স্মার্টফোনটি যদি বৃষ্টিতে ব্যবহার করেন, তবে তা খারাপ হয়ে যেতে পারে। কম দামি স্মার্টফোনগুলিতে সাধারণত স্পিলপ্রুফ ফিচার ব্যবহার করা হয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দোকানদার আপনাকে ওয়াটার প্রুফ স্মার্টফোন বলবে।