কলকাতা: ভোটের মুখে বাংলায় (West Bengal Assembly Election) ফের ইডি-অ্যাকশন (ED) ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূলের (TMC) অভিযোগ, ইডি (ED) ও সিবিআইয়ের (CBI) মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলছে। দলের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই নেতা-মন্ত্রীদের নিশানা করা হচ্ছে।এই প্রেক্ষিতেই ভোটকৌশলী সংস্থা আইপ্যাককে (I-PAC) টার্গেট করা হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। দলের বক্তব্য, তৃণমূলের ভোট কৌশল ‘চুরি’ করতেই সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস ও সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। তল্লাশির নামে গুরুত্বপূর্ণ নথি নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের কাগজপত্র থাকা সবুজ ফাইল হাতে বেরিয়ে আসার দৃশ্য ঘিরে শুরু হয় জোর আলোচনা। বাংলায় ইডি-তল্লাশি ঘিরে এবার মুখ খুললেন পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি। তাঁর দাবি, বর্তমানে গোটা দেশজুড়েই তল্লাশির রাজনীতি চলছে, যা আগে এভাবে দেখা যায়নি। মেহবুবার কথায়, “কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর শুধু তল্লাশি হত। তখন বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল চুপ ছিল।”
আরও পড়ুন: বইমেলার প্রস্তুতি তুঙ্গে, জোর পরিবহণ ও নিরাপত্তায়
তিনি আরও বলেন, “তিনজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। তখনও সকলে নীরব দর্শক ছিল। সংবাদপত্র খুললেই দিনে অন্তত ২০-২৫টি তল্লাশির খবর চোখে পড়ত। এখন সেই ছবিটাই বাংলায় দেখা যাচ্ছে।” তবে এই পরিস্থিতিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাকে আলাদা করে তুলে ধরেছেন মেহবুবা। তাঁর স্পষ্ট মন্তব্য, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাহসী। তিনি বাঘিনী। তিনি লড়াই করবেন। কখনও আত্মসমর্পণ করবেন না।”
তবে ইডি এই অভিযোগ নস্যাৎ করেছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কয়লা কাণ্ডের তদন্তে এটি রুটিন তল্লাশি। কোনও নথিপত্র নেওয়া হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।