বেঙ্গালুরু: পিছিয়ে গেল বহু প্রতীক্ষিত মিশন চন্দ্রযান-৩ এর উৎক্ষেপণের তারিখ। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ঘোষণা করেছেন আগামী ১৪ জুলাই দুপুর ২.৩৫ মিনিটে লঞ্চ হবে চন্দ্রযান-৩। মহাকাশের ক্ষেত্রে এটি ভারতের আরেকটি বড় সাফল্য হবে বলেই মনে করছেন, SRO চেয়ারম্যান এস সোমনাথ।
এর আগে ১৩ জুলাই দিনটি নির্ধারণ করা হয়েছিল চন্দ্রযান-৩ মিশনের উৎক্ষেপণের জন্য। ইসরোর আধিকারিকরা ঘোষণা করেন যে এই রকেট ১৩ জুলাই স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটেয় উৎক্ষেপণ করা হবে। এই মিশন চালুর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। লঞ্চ প্রস্তুতি দল ভারতের সবচেয়ে ভারী রকেট, লঞ্চ ভেহিকল মার্ক-III-তে জুলাইয়ের মাঝামাঝি লঞ্চের লক্ষ্য পূরণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। এরপর ওই তারিখ বদলে ১৪ জুলাই করা হয়।
আরও পড়ুন: Panchayat Election 2023 | বাকি ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা
চন্দ্রযান-২ এর মতোই দেখতে চন্দ্রযান-৩। মহাকাশযান LVM3 (লঞ্চ ভেহিকেল মার্ক-III) মাধ্যমে সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র, শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে। চন্দ্রযান-৩ চন্দ্রপৃষ্টে অবতরণ করবে এবং সেই সঙ্গে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাবে। এর মধ্যে রয়েছে ল্যান্ডার ও রোভার।
চন্দ্রযান-৩ মহাকাশযান LVM3 (লঞ্চ ভেহিকেল মার্ক-III) মাধ্যমে সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র, শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে। ISRO আধিকারিকদের মতে, চন্দ্রযান-৩ হল চন্দ্রযান-২য়ের পরবর্তী প্রকল্প।এর মূল লক্ষ্য চন্দ্রপৃষ্ঠে নিরাপদ অবতরণ করা এবং পরীক্ষা চালানো।এর মধ্যে রয়েছে ল্যান্ডার ও রোভার।এই মিশনের সাফল্যের জন্য, নতুন যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে, অ্যালগরিদম উন্নত করা হয়েছে এবং যে কারণে চন্দ্রযান-২ মিশন চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে সেদিকে নজর দেওয়া হয়েছে।
চন্দ্রযান-৩ একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার এবং একটি প্রপালশন মডিউল দিয়ে তৈরি যার মোট ওজন ৩৯০০ কেজি। শুধুমাত্র প্রপালশন মডিউলটির ওজন ২১৪৮ কেজি যা ল্যান্ডার এবং রোভারকে ১০০ কিমি চন্দ্র কক্ষপথে নিয়ে যাবে। ল্যান্ডার মডিউল ল্যান্ডারের সম্পূর্ণ কনফিগারেশন বলে।
রোভারটির ওজন ২৬ কেজি। রোভারটি চন্দ্রযান-২-এর বিক্রম রোভারের মতোই হবে, তবে নিরাপদ অবতরণ নিশ্চিত করতে উন্নতি সহ। প্রপালশন মডিউল ৭৫৮ ওয়াট শক্তি, ল্যান্ডার মডিউল ৭৩৮ ওয়াট এবং রোভার ৫০ ওয়াট শক্তি উৎপন্ন করবে।