ওয়েবডেস্ক- রান্নার গ্যাসের (Domestic Gas) অনিশ্চয়তা নিয়ে চারদিকে যখন ত্রাহি ত্রাহি রব, ঠিক সেই সময় দিল্লি জানিয়ে দিল রান্নার গ্যাস নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। গৃহস্থের রান্নার সুবিধার জন্য পর্যাপ্ত এলপিজি গ্যাস মজুদ রয়েছে। রান্নার গ্যাস সরবরাহ ঘিরে চিন্তা থাকলেও কোনও অভাব নেই।
সম্প্রতি কেন্দ্র পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী (Petroleum Minister) সংসদে ((Assembly) দাবি করেছিলেন, জ্বালানির কোনও সঙ্কট নেই। মানুষ প্যানিক করছ। এবার শনিবার আরও একবার সেই কথা স্পষ্ট করে দিল কেন্দ্র। গৃহস্থের রান্নার চাহিদা পূরণ করার জন্য পর্যাপ্ত এলপিজি মজুদ করা আছে। মানুষ শুধুমাত্র প্যানিক করছে। আর সেই কারণেই সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছে। কেন্দ্রের পরামর্শ অযথা আতঙ্কিত হয়ে এইভাবে সিলিন্ডার বুক করার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে কোনও উদ্বেগের পরিস্থিতি ছিল না। বাণিজ্যিক সরবরাহ নিয়ে কিছু উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন রাজ্যে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের সরবরাহ সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছিল।
শনিবার কেন্দ্র জানিয়ে দেয়, ২৯ রাজ্যের ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পুনরায় বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের সরবরাহ শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক সময় সংঘাতের আঁচে এই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল বলেও জানিয়ে দেয় কেন্দ্র। তবে একই সঙ্গে এ-ও জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং গৃহস্থের এলপিজি সরবরাহের যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন- আজই পশ্চিমবঙ্গ সহ ৫ রাজ্যের ভোট ঘোষণা! কতগুলি দফায় হতে পারে ভোট? দেখুন
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানির জোগান অব্যাহত রাখতে তৎপর কেন্দ্র সরকার। গত কয়েকদিনের মতো শনিবার বিকেলেও যৌথ সাংবাদিক বসে পাঁচ মন্ত্রক। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক, বিদেশ মন্ত্রক, বন্দর, বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের শীর্ষকর্তারা। পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের সুজাতা শর্মাও ছিলেন সেখানে। সুজাতা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি আমাদের সকলের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তবে যাতে গৃহস্থের কোনও সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করছি আমরা। সবার আগে বিবেচনা করা হচ্ছে, গৃহস্থের গ্যাস সিলিন্ডারকে। গৃহস্থের জন্য এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ চালিয়ে গিয়েছি আমরা।”
