আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়াল বেকসুর খালাস, সিসোদিয়াকেও ‘ক্লিন চিট’ আলাদলের

0
38

নয়াদিল্লি: আবগারি দুর্নীতি মামলায় (Excise Corruption Case) অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) ‘ক্লিন চিট’ দিল আদালত। কেজরিওয়ালের পাশাপাশি আদালতে স্বস্তি পেয়েছেন মণীশ সিসোদিয়াও (Manish Sisodia)। শুক্রবার আবগারি কেলেঙ্কারি মামলা থেকে AAP সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং দলের নেতা মণীশ সিসোদিয়াকে রেহাই দিল রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট। ক্লিন চিট পেয়ে আদালত চত্বরেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন কেজরিওয়াল। বললেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে।’ সঙ্গে আম আদমি পার্টির আরও ২১ জন নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, সিবিআইয়ের দেওয়া চার্জশিটে অনেক ত্রুটি রয়েছে। উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের অভাবে কেজরীদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। আবগারি মামলায় কেজরি এবং মনীশ দীর্ঘ দিন জেলে ছিলেন।

দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তাঁর উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে আবগারি দুর্নীতি মামলা থেকে এদিন অব্যাহতি দিয়ে জানিয়েছে, মামলাটি বিচারপর্বে যাওয়ার জন্য যে ন্যূনতম মানদণ্ড থাকে, তা পূরণ করতে ব্যর্থ।মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে কোনও গ্রহণযোগ্য মামলা গঠন করতে পারেনি CBI, সেই বিষয়টিও উল্লেখ করেছে আদালত। উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ ছাড়ায় মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জড়ানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে আদালত। আদালতের রায় শোনার পরেই বিজেপিকে আক্রমণ করেন কেজরী। বলেন, ‘‘আপনারা কুর্সি চান, ভাল কাজ করে সেটা অর্জন করুন। দেশের সংবিধান নিয়ে এ ভাবে ছেলেখেলা করবেন না। মনীশ সিসৌদিয়া সৎ, আম আদমি পার্টি সৎ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিজেপি আমাদের উপর একের পর এক দোষ চাপাচ্ছিল, আদালত সব খারিজ করে দিয়েছে। সমস্ত অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিয়েছে। আমি প্রথম থেকেই বলে এসেছি, সত্যের জয় হবে।

আরও পড়ুন: জল্পনার অবসান, NCP-র হাল ধরলেন সুনেত্রা পওয়ার

নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কেজরিওয়াল দাবি করেন, আপ দলের পাঁচ জন বড় নেতাকে বিজেপি নিশানা করেছিল। পুরো ভুয়ো মামলায় সিসৌদিয়াকে দু’বছর জেলে রাখা হয়।২৪ ঘণ্টা টিভি চ্যানেলে খবর দেখানো হত। বলা হত, কেজরিওয়াল ভ্রষ্ট, দুর্নীতিগ্রস্ত।’’ এই বাক্যের পরেই কেঁদে ফেলেন কেজরী। কান্নায় তাঁর গলার স্বর বুজে আসে। জানিয়েছেন, তাঁকে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছিল। আদালতের নির্দেশ শুনে তিনি কেঁদে ফেলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here