ওয়েবডেস্ক- শোলে সিনেমায় ‘বাসন্তী’কে (হেমা মালিনী) না পেয়ে জলের ট্যাঙ্কে উঠেগিয়েছিলেন বীরু (ধর্মেন্দ্র)।বাসন্তীর সঙ্গে বিয়ে না দিলে তিনি কিছুতেই ট্যাঙ্ক থেকে নামবেন না। এবার সেই শোলে সিনেমার পুনরাবৃত্তি হল পুরুলিয়ায়। সাতসকালে বীরুর ঢঙেই রবিবার সাতসকালে দুলমি ফর্টি কোয়ার্টারের পাশে একটি ৮০ ফুট উঁচু জলট্যাঙ্কের উপর চড়ে বসেন।
সেখান থেকেই বলতে থাকেন, বিয়ে দিতে হবে, না হলে ঝাঁপ দেব। ভোট পরিস্থিতিতে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ, দমকল সেই সঙ্গে সিভিল ডিফেন্স টিম হাজির হয়। অনেক অনুনয় বিনয় করার পরেও ট্যাঙ্ক থেকে নামাতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। প্রায় চার ঘণ্টা পরে তাকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের নজরদারিতে তাকে রাখা হয়েছে।
শহর পুরুলিয়ার রবিবারের এই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পর্দায় থাকা রামগড়ের সঙ্গেও বাস্তবে ‘বীরু’ হওয়া আব্বাসের গ্রামের নামেও মিল রয়েছে পুরুলিয়া মফস্বলের রামপুরের। এই যুবক পুরুলিয়া শহরের কাছেই কাঁসাই নদী থেকে সাইকেলে বালি নিয়ে বিক্রি করে পেট চালান। এই কাজের আসা যাওয়ার পথেই শিমুলিয়া সন্নিহিত এলাকায় এক কিশোরীকে ভালো লেগে যায় তার।
আরও পড়ুন- মোথাবাড়ি কাণ্ডে প্রথম গ্রেফতার, এনআইএ-র হাতে ধৃত আইএসএফের পঞ্চায়েত সদস্য
বাড়িতে প্রেমের কথা জানান তিনি। কিন্তু মেয়েটি নাবালিকা হওয়ায় পরিবার অসম্মতি জানিয়ে দেয়। কিন্তু ওই যুবকের সাফ জবাব, সে বিয়ে করলে ওই কিশোরীকে করবে, না হলে কাউকে করবে না। এই নিয়ে পরিবারে চরম অশান্তি শুরু হয়। রবিবার ভোরে ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথে দুলমি এলাকার ওই জলট্যাঙ্কে চড়ে বসেন। মুহূর্তেই এই ছড়িয়ে যায়। খবর যায় ওই যুবকের বাবা মায়ে কাছেও। তারাও ছুটে আসেন।
বাবা হাবিব আনসারি জানিয়েছেন, শনিবার রাতে আমরা এই নিয়ে আলোচনা করেছি। আমি আর ওর মা এই বিয়েতে রাজি হয়েছি। কিন্ত এখন বিয়ে সম্ভব নয়। কারণ মেয়েটি নাবালিকা। কিন্তু ছেলে এমন কাণ্ড ঘটাবে বুঝতে পারিনি।
