10.6 C
New York

‘SIR প্রক্রিয়া নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট নই’ নির্বাচন কমিশনকে নিশানা শমীক ভট্টাচার্যের

Must Read

ভোটে আবহে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এসআইআর (SIR)  থেকে নির্বাচন সব ঘিরে অস্থিরতা। এখনও এসআইআর প্রক্রিয়া অনিশ্চিত। বাদ যাওয়া ২৭ লক্ষ ভোটারের কী হবে?

সোমবার বাগডোগরা যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের শাসকদল থেকে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)  নিয়ে সরাসরি তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সংসদ শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) । কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নির্বাচন কমিশনের উপরে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি।

এসআইআর শুনানি, ট্রাইব্যুনালে ২৭ লক্ষের নাম, এরা কী ভোট দিতে পারবে? সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এই প্রশ্ন আমাকে কেন? সুপ্রিম কোর্টকে এই প্রশ্ন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন উত্তর দেবে।

আমরা পশ্চিমবঙ্গের কোর্টেও আছি, মাঠেও আছি। আমরা চেয়েছিলাম এসআইআর প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হোক। মৃত ভোটার, ভুয়ো ভোটারদের নাম বাদ যাক। ভারতের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে রোহিঙ্গা, বাংলাদেশিরা যাতে ভোটার লিস্টে না ঢুকতে পারে, তার ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন করুক। তৃণমূল কংগ্রেস সেটা করতে না পেরে, বা আধা সফল হয়ে এই ধরনের কথাবার্তা বলছে। মহামান্য আদালত কী বলে সেটা দেখার।

সাংবাদিকরা বলেন, রাজ্যে তিনদিনের সফরে আসছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী (Deputy Election Commissioner Gyanesh Bharti) 

আরও পড়ুন-  “দিদি-ভাইপোর গুন্ডাদের জেলে ভরা হবে” নির্বাচনী প্রচারে বিস্ফোরক শাহ

এই প্রশ্নের উত্তরে শমীক ভট্টাচার্য বলেন,  ওঁনার (ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী) অনেক আগেই আসা উচিত ছিল। উনি ওখানে বসে কী করছেন। এখানে বিচারপতিদের আটকে রাখা হল, ওঁনাদের গাড়ির উপর পাথর বৃষ্টি হল। কী ব্যবস্থা নিয়েছেন কমিশন? কমিশন তো এই রাজ্যে বহু ক্ষেত্রে নিজের প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা দিতে পারেনি। যে প্রক্রিয়ার এসআইআর চলল তাতে আমরা সন্তুষ্ট নই। অনেকদিন আগেই এখানে অফিস করে বসা উচিত ছিল জ্ঞানেশ কুমারের।

সাংবাদিকদের প্রশ্ন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন বিজেপিকে বলব SIR সর্বনাশ। SIR সবচেয়ে বড় স্ক্যাম, ২০২৪ তালিকা থেকেই আপনারা ভোটে জিতে এসেছেন। এবার SIR কেন করতে হল।

এই প্রশ্নের উত্তরে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচন, কর্পোরেশন নির্বাচন, মিউনিসিপ্যালিটির নির্বাচন জেতেন, উনি ভেবেছিলেন এবারেও সেইভাবে জিতে যাবেন। জেতার পরেও উনি যা যা করেন, সেইভাবেই এই নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন, সেটা সম্ভব হচ্ছে না। তবে কিছুটা উনি সফল। উনি ওঁনার প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে বিএলও-র উপর চাপ সৃষ্টি করে, ভুল তথ্য আপলোড করে সমাজের কিছু প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি যেখানে বিজেপি লিড পায়, হিন্দু উদ্বাস্তু অঞ্চল, মতুয়া, রাজবংশীদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দিয়েছেন।

পরবর্তীকালে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, সেটা উনি কোর্টে গিয়ে জটিলতাকে ডেকে নিয়ে এসেছেন পশ্চিমবঙ্গে। এখন পরাজয় নিশ্চিত, তৃণমূল হেরে গেছে। শেষ মুহূর্তে একটু প্রদীপ জ্বলে ওঠে, সেটাই।

 

 

Latest News

ভোটিংয়ে ভোটারদের আঙুলের ছাপ ও আইরিস বায়োমেট্রিকের ব্যবস্থা, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ আইনজীবী

ওয়েবডেস্ক- বিভিন্ন রাজ্যে যে বিধানসভা (West Assembly Election 2026)  নির্বাচন চলছে সেখানে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে (polling station) ভোটারদের আঙুলের ছাপ (Voter...

More Articles Like This