ওয়েব ডেস্ক : সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ভোটের নির্ঘণ্ট (West bengal assembly election 2026) ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল হবে বাংলায় নির্বাচন। ফল প্রকাশ হবে ৪ মে। আর ভোট ঘোষণার পর থেকে রাজ্যজুড়ে চালু হয়ে গিয়েছে নির্বাচনী আচররণবিধি (Election Code of Conduct)। তবে এই ভোটের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছে আক্রান্ত হলেন এক ভোটকর্মী (Poll worker)। আর এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল রানাঘাটে (Ranaghat)।
জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ওই ভোট কর্মীর নাম সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, নদিয়ার রানাঘাট দেবনাথ ইনস্টিটিউশন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভোটের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু, তা চলাকালীন স্ক্রিনে হঠাৎ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ছবি এবং জগন্নাথ মন্দিরের ছবি ভেসে ওঠে। তা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি। নির্বাচন ঘোষণার পর কোড অফ কন্টাক্টের কথাও বলেছিলেন তিনি।
অভিযোগ, এর পরেই এক যুবক তাঁর সঙ্গে অভাব্য ব্যবহার করেন। সেই সময় ওই ভোটকর্মী ওই যুবকের আইডেন্টি কার্ড দেখতে চাইলে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। তার পরেই বিডিও-র উপস্থিতিতে ভোট কর্মী সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে বেধরক মারধর করা হয়।
আরও খবর : স্বামী আটক, রাতেই গৃহবধূকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ!
শুধু তাই নয়, ঘটনার পর এক ঘন্টা কেটে গেলেও ওই ভোট কর্মীর জন্য কোনও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অভিযোগ। এর পরেই প্রশিক্ষণে আসা বাকি ভোট কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিতকরণ করে দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি তুলেছেন তারা। এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে বলে খবর। তবে এখনও কাউকে গ্রেফতার করা গিয়েছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
ঘটনার পরেই রানাঘাটে আসেন মহকুমা শাসক সুবুর খান। বিডিও (BDO)-র গ্রেফতারির দাবিতে ভোটকর্মীরা বিক্ষোভ দেখান বলে খবর। এ নিয়ে মহাকুমা শাসক জানিয়েছেন, ‘বর্তমানে সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ যদিও হাঁসখালির বিডিও-র দাবি, ‘মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। ভোট কর্মীদের মধ্যে একটি বচসা, সেখানেই কিছু ঘটেছে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
দেখুন অন্য খবর :

