নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে বড় পদক্ষেপ কমিশনের

0
39

ওয়েব ডেস্ক : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West bengal assembly election 2026) স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ রাখতে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রাজ্যের প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে থাকবে ওয়েবকাস্টিং ব্যবস্থা (Webcasting system)। বুথের ভিতর ও বাইরে দু’জায়গাতেই ক্যামেরা বসিয়ে পুরো প্রক্রিয়াকে নজরদারির আওতায় আনা হবে।

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রতিটি বুথে অন্তত দু’টি ক্যামেরা থাকবে, পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ ক্যামেরাও বসানো হবে। রাজ্যের সব বুথে নজরদারি চালানো হবে। এছাড়া এই ওয়েবকাস্টিং পর্যবেক্ষণ করা হবে তিনটি স্তরে রিটার্নিং অফিসার (RO), জেলা নির্বাচন আধিকারিক (DEO) এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর থেকে। সিইও অফিসে একাধিক স্ক্রিনে একযোগে নজর রাখা হবে, যেখানে প্রতিটি স্ক্রিনের দায়িত্বে থাকবেন দু’জন করে মাইক্রো অবজার্ভার। একজন পর্যবেক্ষণ করবেন, অন্যজন নথিবদ্ধ করবেন।

আরও খবর : গরমের মাঝেই স্বস্তির ইঙ্গিত, ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যে

এছাড়া ভোটকর্মীরা যে গাড়িতে করে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট নিয়ে যাবেন, সেই গাড়িগুলিতেও জিপিএস ট্র্যাকিং থাকবে। যাতে নির্ধারিত পথেই যাতায়াত হচ্ছে কিনা, তা সরাসরি নজরে রাখা যায়। কন্ট্রোল রুম থেকেও সিসিটিভির (CCTV) মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া রেকর্ড করা হবে। ভোটের এক-দু’দিন আগেই বুথে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়ে যাবে বলেও জানানো হয়েছে। মোট ২৩৫২ জন মাইক্রো অবজার্ভার মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সংবেদনশীল বুথগুলিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। সেখানে অতিরিক্ত ক্যামেরা থাকবে। কোনও বুথে জোর করে দখল বা ভোটে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটলে সেই ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। নির্বাচন (Election) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির বিধান রয়েছে। জেল ও জরিমানা দু’টিই হতে পারে। এমনকি কোনও সরকারি কর্মচারী বুথ দখলে সহযোগিতা করলে তাঁরও ৩ থেকে ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্টের উপর নির্ভর করবে না, পর্যবেক্ষক ও রিটার্নিং অফিসারদের মতামতও বিবেচনায় নেওয়া হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে। সব বুথে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন সম্ভব না হওয়ায় বিকল্প হিসেবে অতিরিক্ত ভোটকর্মী রাখা হবে, যারা বুথের বাইরের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবেন।

দেখুন অন্য খবর :

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here