নির্বাচনের আগে রদবদলেই বিপত্তি? প্রশ্ন তুললেন অভিষেক

0
35

ওয়েব ডেস্ক : সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (West bengal Assembly Election 2026)। তার আগে রামমবমীর দিন বেশ কিছু জেলা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। প্রশ্ন উঠছে, ভোট ঘোষণার পর কমিশন (Election Commission) একাধিক পুলিশ আধিকারিককে বদল করেছে। তার পরেও রাজ্যে অশান্তির ঘটনা সামনে আসছে। তা নিয়ে এবার উদ্বেগ প্রকাশ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

সমাজমাধ্যমের এক পোস্টে অভিষেক লিখেছেন, “এই ধরণের “পরিবর্তন”-ই কি বিজেপি (BJP) বাংলার মাটিতে চাপিয়ে দিতে চায়? নির্বাচনের ঘোষণার ঠিক পরেই, নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ব্যাপক প্রশাসনিক রদবদল শুরু করেছে। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি, এডিজি, আইজি, এসপি, ডিএম, এমনকি কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং কলকাতা পুরসভা কমিশনারকেও বদলে দেওয়া হয়েছে। এই ধরণের নজিরবিহীন হস্তক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্য এবং সময়জ্ঞান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।”

আরও খবর : বাড়ি বাড়ি প্রচারে মধুপর্ণা, ভোট কাটা নিয়ে বিজেপিকে নিশানা তৃণমূল প্রার্থীর

শুক্রবার রামনবমীর মিছিলেকে কেন্দ্র করে রঘুনাথগঞ্জ থানা এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এলাকা। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। আর এ নিয়ে অভিষেক (Abhishek Banerjee) লিখেছেন, “যা ঘটছে তা আরও উদ্বেগজনক। এই পরিবর্তনের আড়ালে ভীতি প্রদর্শনের একের পর এক খবর পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে দোকানপাট ভাঙচুর করা হচ্ছে, ধর্মের নামে উত্তেজনা ছড়ানো হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমাদের “বুলডোজার মডেল”-এর প্রয়োজন নেই। আমাদের ঘৃণা ও সহিংসতার আমদানিকৃত রাজনীতিরও প্রয়োজন নেই।” তিনি আরও লিখেছেন, “আমাদের পরিচয় হল পাড়া কালচার, আড্ডা, একসঙ্গে উদযাপন করা উৎসব। একে অপরের বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা। এটাই আমাদের আসল পরিচয়।”

অভিষেক (Abhishek Banerjee) আরও যোগ করেছেন, “প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাংলা কোনো ভয়, বিভাজন বা সহিংসতা ছাড়াই দুর্গাপূজা, দীপাবলি, পহেলা বৈশাখ, ঈদ, গুরু নানক জয়ন্তী, বুদ্ধ পূর্ণিমা এবং বড়দিন একসঙ্গে পালন করে আসছে। অথচ গত কয়েক দিনেই এই বিপ্লবীদের দেশে এক ধরণের নেতিবাচক “পরিবর্তন”-এর বিরক্তিকর ঝলক আমরা দেখতে পাচ্ছি।”

সঙ্গে জানিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং স্বামী বিবেকানন্দের এই ভূমি সর্বদা সহনশীলতা, সম্প্রীতি এবং সহাবস্থানের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। কয়েক দশক ধরে বাংলা বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এক জীবন্ত উদাহরণ হয়ে রয়েছে। অভিষেক অভিযোগ করেছেন, “আজ সেই সামাজিক কাঠামোই হুমকির মুখে পড়েছে। প্রশ্ন হল, এই বিশৃঙ্খলা থেকে কার লাভ হচ্ছে এবং বাংলার মানুষকে এর জন্য কী মূল্য দিতে হচ্ছে?”

দেখুন অন্য খবর :

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here