ওয়েবডেস্ক- ভেনেজুয়েলা (Venezuela) ও ইরানের (Iran) পর এবার উত্তর কোরিয়ার দিকে আগ্রাসী দৃষ্টি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States of America) । আমেরিকার সঙ্গে কোনওদিনই সুখকর সম্পর্ক ছিল না উত্তর কোরিয়ার। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ার যুদ্ধের মহড়ার পরেই রণসম্ভারের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন (North Korean Supreme Leader Kim Jong Un) ।
একদিন আগেই একযোগে ১০ টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপের পরে আজ রবিবার কন্যা কিম জু আয়ে (Kim Ju Ae) সঙ্গে নিয়ে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম রকেট লঞ্চারের পরীক্ষার তদারকি চালালেন কিম জং উন।
দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জন উন জানিয়েছেন, ভয় কাঁপবে শত্রুপক্ষ। এই মহড়া ৪২০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা শত্রুদের কাছে একটি হুমকি। শত্রু সামরিক পরিকাঠামো ধবংস করে দিতে সক্ষম।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছেন, এই সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের সামরিক মহড়া দেয়। তার পরেই উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিন জং উন শনিবার ১২টি ৬০০ মিমি-ক্যালিবার মাল্টিপল রকেট লঞ্চারের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের তদারকি করেন। উত্তর কোরিয়ার রকেটগুলো পূর্ব সাগরের ৩৬০ কিলোমিটার দূরের একটি দ্বীপে আঘাত হেনেছে। কিম জং উন এসব রকেট লঞ্চারকে ‘‘অত্যন্ত প্রাণঘাতী অস্ত্র’’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
আরও পড়ুন- আমেরিকার সামনে ‘ঝুঁকেগা নেহি’! এবার ইরানের টার্গেট ইরাকের মার্কিন দূতাবাস
শনিবারই পিয়ংইয়ংয়ের কাছাকাছি এলাকা থেকে পূর্ব সাগরের দিকে প্রায় ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী একে উস্কানিমূলক বলে মন্তব্য করেছে। এর আগেও ১১ ও ১২ মার্চ ৫,০০০ টন ওজনের ডেস্ট্রয়ার ‘চোয়ে হিয়ন’ থেকে কৌশলগত ক্রুজ মিসাইল পরীক্ষা করা হয়েছে। কিম এই জাহাজটিকে নৌবাহিনীর “নতুন প্রতীক” হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং নৌবাহিনীকে দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
