ওয়েব ডেস্ক: এক মাস ধরে চলছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত (Middle East War)। যুদ্ধবিরতি (Ceasefire) তো দূর, দিন দিন হামলার ঝাঁঝ বাড়িয়েই চলেছে ইরান (Iran)। এর মধ্যে সৌদি আরবে (Saudi Arabia) অবস্থিত একটি মার্কিন (USA) সামরিক ঘাঁটিতে হামলার ফলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে দাবি করেছে ইরান। জানা গিয়েছে, পূর্বাঞ্চলের সুলতান আমির ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। যদিও এই হামলার বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা সৌদি আরবের তরফে নিশ্চিত করা হয়নি।
এই উত্তেজনার মধ্যেই শান্তি আলোচনার কথা বললেও, সামরিক প্রস্তুতিও জোরদার করছে ট্রাম্পের দেশের সেনা। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রায় ১০ হাজার পর্যন্ত অতিরিক্ত মার্কিন স্থলসেনা মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সম্ভাব্য এই বাহিনীতে পদাতিক সেনা ও সাঁজোয়া যান অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এদিকে ইতিমধ্যেই আমেরিকার ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় ৫ হাজার সেনা এবং প্রায় ২ হাজার প্যারাট্রুপার মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘থ্যাঙ্ক ইউ ইন্ডিয়া’ লেখা মিসাইলে তছনছ ইজরায়েল! ফের ট্রাম্পের ঘুম কেড়ে নেবে ইরান?
অন্যদিকে, এই সংঘাতে চাপ বাড়ছে ইজরায়েলের (Israel)। ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ চালাতে গিয়ে সেনা সংকটে পড়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন। এই পরিস্থিতিতে ইজরায়েলের সেনাপ্রধান ইয়াল জামির গুরুতর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সেনা ঘাটতির কারণে খুব শিগগিরই ইজরায়েলি বাহিনী সাধারণ সামরিক অভিযান চালাতেও অক্ষম হয়ে পড়তে পারে। ইজরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক বৈঠকে তিনি ‘১০টি লাল পতাকা’ তুলে ধরে পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝান। পাশাপাশি তিনি সেনা নিয়োগ আইন সংশোধন, প্রাক্তন সেনাদের পুনরায় দায়িত্বে ফেরানো এবং বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবার মেয়াদ বাড়ানোর মতো একাধিক সুপারিশও করেছেন।
দেখুন আরও খবর:

