ওয়েব ডেস্ক : নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এর পরেই মহার্ঘ ভাতা (DA) দিতে শুরু করল নবান্ন (Nabanna)। রাজ্যের অর্থ দফতরের তরফ থেকেও টাকা ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এর ফলে এই টাকা সরকারি কর্মীদের (Government Employees) জন্য ঢুকবে প্রভিডেন্ট ফান্ডে। আর গ্রুপ ডি ও পেনশনভোগীদের এই টাকা ঢুকবে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে।
কী ভাবে টাকা জিপিএফ অ্যাকাউন্টে (GPF Account) যাবে, তার প্রক্রিয়া জানানো হয়েছে নবান্নের তরফে। বলা হয়েছে, প্রথমে প্রভিডেন্ড অ্যাকাউন্টে এই টাকা ঢুকবে এইচআরএমএসের মাধ্যমে। সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টের ইনচার্জ সেই বিষয়টি দেখভালের দায়িত্ব থাকবেন। এর পর তিনি এরিয়ার/সাপ্লিমেন্টারি বিভাগে ঢুকবেন। সেখানে টাস্কলিস্ট থাকবে। এর পরে বিল জেনারেট করবেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিক। তার পর তা গিয়ে পৌঁছবে জিপিএফ অ্যাকাউন্টে।
আরও খবর : পর্যবেক্ষকে কমিশনকে নিশানা, সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল
উল্লেখ্য, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছিল, ডিএ (DA) কোনও দয়া নয়, বরং সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার। আদালত নির্দেশ দেয়, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তিতে মিটিয়ে দিতে হবে। সেই মতো টাকা দিতে শুরু করল নবান্ন। আর পোর্টালে তথ্য আপলোড শুরু হওয়ায় কয়েক লক্ষ কর্মী বকেয়া টাকা পাওয়ার আশায় বুক বাঁধছেন। আগামী মঙ্গলবার, অর্থাৎ ৩১ মার্চ চলতি অর্থবর্ষের শেষ দিনেই এই প্রথম কিস্তির টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছনোর কথা।
পোর্টাল চালু হওয়ার পর এত বড় সংখ্যক কর্মীর পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার যে সময়সীমা আদালত ঠিক করে দিয়েছে, তাতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা আদৌ সম্ভব কি না তা নিয়ে সরকারি কর্মীরা ধন্দে রয়েছেন। অন্যদিকে সরকারি কর্মচারী ছাড়াও ডিএ পাওয়ার কথা রাজ্যের শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, সরকার অনুমোদিত স্বশাসিত সংস্থা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিও ডিএ পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু, বামপন্থী শিক্ষক সংগঠন বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা স্বপন মণ্ডলের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের নতুন পোর্টালে কেবলমাত্র সরকারি কর্মচারীরাই নিজেদের বকেয়া হিসাব আপলোড করতে পারছেন। বাকি ডিএ প্রাপকরা তাঁদের বকেয়া হিসাব আপলোড করতে পারছেন না।
দেখুন অন্য খবর :

