কলকাতা: গেরুয়া শিবিরের নজরে নবান্ন। ২১ এর কৌশল পাল্টে বিধানসভা যুদ্ধে নামছে বিজেপি। প্রথম থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল দলের নিচুতলার কর্মীদের প্রকান্য দেওয়া হবে। কিন্তু অন্য দলের কোনও বড় মুখকে ভোটের আগে দলে নেওয়া হবে না। রাজ্যে এই মুহূর্তে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৬৫। তাঁদের মধ্যে কতজন আবার টিকিট পাচ্ছেন, ক’জন বাদ পড়ছেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে বঙ্গ বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Election) দিন ঘোষণা করা হতে পারে। কিন্তু তার আগেই ১৫০-র বেশি আসনে প্রার্থীর (BJP Candidate List) নাম চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে সেই বৈঠকে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) বাসভবনে ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি বিধায়কদের। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রথম সারির নেতাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে বসেছিল দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। সূত্রের খবর, ১৫০-র বেশি আসনে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে সেই বৈঠকে। বর্তমান বিধায়কদের সিংহভাগই আবার টিকিট পাচ্ছেন বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাংশ এবং দার্জিলিং পাহাড়ের তিনটি আসন ছাড়া প্রায় সব আসন নিয়েই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা সেরে নিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা।
আরও পড়ুন: দক্ষিণেশ্বর থেকে বিষ্ণুপুরের টেরাকোটা! ব্রিগেডে মোদির মঞ্চে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া
বুধ ও বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির নেতারা দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। বিজেপি সূত্রের খবর, জেপি নড্ডার বাসভবনে পর পর দু’দিনের বৈঠকে ১৫০-টির বেশি আসনে প্রার্থীদের নাম নির্ধারিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে সেই তালিকা চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। বর্তমান বিধায়কদের ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশই এ বারও টিকিট পাচ্ছেন, তা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বিধায়ক এ বার আর টিকিট পাবেন না। সূত্রের খবর, দিলীপ ঘোষকে খড়্গপুর থেকে টিকিট দেওয়া হতে পারে। হিরনকে অন্য বিধানসভাতে দাঁড়া করাতে পারে। অগ্নিমিত্রা আসানসোল। সেই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় সংগঠন থেকে উঠে আসা বেশ কিছু মুখ এ বার দেখা যাবে। আগে কখনও বিধানসভা বা লোকসভার ভোটে লড়েননি, এমন কিছু নতুন মুখও টিকিট পাচ্ছেন।
