কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতে জ্বলছে একের পর এক দেশ। দিন যত এগোচ্ছে ততই ভয়ঙ্কর হচ্ছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। গ্যাসের হাহাকারের ছবি ধরা পড়ছে বিশ্বজুড়ে। LPG সিলিন্ডার (LPG Cylinder) সরবরাহ-সঙ্কট দেখা দিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধের আঁচ হেঁসেলেও! বাংলার বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হয়েছে গ্যাসের সংকট। ইতিমধ্যে একাধিক হোটেল, রেস্তোরাঁয় তালা ঝুলেছে। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে (Saltlake Restaurant) ২৪ ঘন্টা কাজ হয়। ২৪ ঘন্টায় বহু খাবার বিক্রেতারা তাদের খাবার দোকান খোলা রেখে খাবারের যোগান দেয় আইটি কর্মীদের। গ্যাসের সঙ্কট দেখা দিতেই বেশ কিছু দোকান ইতিমধ্যেই খাবারের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। শুধু কী তাই এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁগুলির ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে। বহু নাম করা ফুড চেন একাধিক মেট্রো শহরে তাদের রেস্তোরাঁ আপাতত বন্ধের কথাও ভাবছে। বহু জায়গায় মেনুতে কাটছাঁট করা হয়েছে।
বিগত দু চার দিন ধরে গ্যাসের সমস্যা হওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ধরা পড়েছে সেক্টর ফাইভে। কিছু কিছু দোকানদার প্রত্যেক খাবার পিছু ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা বাড়িয়েছে, আবার অনেক দোকানদারদের বক্তব্য এখনও আমরা দাম বাড়াইনি। কিন্তু যদি একান্তই বাড়াতে হয় আমাদের কাছে যারা প্রত্যেকদিন খেতে আসেন তাদের কথা আলাপ আলোচনা করে তারা সহমতি জানালে আমরা দাম বাড়াবো। না হলে আমাদের বাধ্য হয়ে দোকান বন্ধ করে দিতে হবে। যারা প্রত্যেকদিন এই খাবার খান তাদের বক্তব্য এই পরিস্থিতিতে এই জিনিসটা আমাদের মেনে নিতে হবে কিছু করার নেই। নাম বলানো আছে।
আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে ক’দফায় ভোট করতে চাইছে কমিশন?
অন্যদিকে, নদিয়ার কৃষ্ণনগরের নাম করা একটি হোটেল। শহরের অদূরেই জাতীয় সড়কের ঠিক পাশে এই রেস্তোরাঁ উত্তরবঙ্গ যাওয়ার পথে হোক বা অন্য কোথাও যাওয়ার সময়ে স্টপেজ মাস্ট। রান্নার গ্যাসের সঙ্কটকালে, আপাতত সেখানেও মেনু কার্ডে কাটছাঁট করা হচ্ছে। গ্যাস না মেলায় এবার বন্ধ হয়ে গেল আরামবাগের দুটি ক্যান্টিন। আরামবাগ পুরসভার উদ্যোগে এই মা ক্যান্টিনগুলি চলত। প্রত্যেকদিন দুটি ক্যান্টিন থেকে গড়ে অন্তত ৮০০ থেকে ৯০০ মানুষ খাবার খেতেন। কিন্তু গ্যাস না মেলায় দুটি ক্যান্টিনের সামনেই বন্ধের নোটিস দেওয়া হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পরিষেবা বন্ধ থাকবে।
